বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) শুরু হতে বাকি মাত্র ৩০ দিন। কিন্তু ভারতে কোন চ্যানেল বা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মেগা টুর্নামেন্ট সম্প্রচার হবে তা এখনও অজানা। ফুটবলপ্রেমীদের অনেকের মনেই প্রশ্ন, বিশ্বকাপ কি আদৌ দেখা যাবে? তাঁদের জন্য় সুখবর দিল দিল্লি হাই কোর্ট। মঙ্গলবার উচ্চ আদালতের তরফ থেকে নোটিস দেওয়া হয়েছে কেন্দ্র এবং প্রসার ভারতীকে। দিল্লি হাই কোর্টের নির্দেশ, দূরদর্শন এবং ডিডি স্পোর্টসে ফুটবল বিশ্বকাপ সম্প্রচারের ব্যবস্থা করতে হবে।
ভারতবর্ষে ফুটবলপ্রেমীর অভাব নেই। দেশ র্যাঙ্কিংয়ে পিছিয়ে থাকলেও ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা-ফ্রান্স-স্পেনের ম্যাচ দেখার দর্শক প্রচুর পরিমাণে আছেন। ২০২৬ ও ২০৩০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল দেখানোর জন্য ভারতে সম্প্রচারের স্বত্ব বিক্রির প্রক্রিয়া শুরু করেছিল ফিফা। প্রথমে এই স্বত্বের দাম রাখা হয় প্রায় ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৯৩০ কোটি টাকা। কিন্তু কোনও সংস্থা ম্যাচ দেখানোর আগ্রহ দেখায়নি। বাধ্য হয়ে ফিফা সম্প্রচার স্বত্ব নামিয়ে আনে ৩৫ মিলিয়ন ডলারে। কিন্তু অবস্থা বদলায়নি।
আরও পড়ুন:
তাই এখনও ঠিক হয়নি বিশ্বকাপের ম্যাচ কোথায় দেখা যাবে। ১১ জুন থেকে শুরু বিশ্বকাপ। কিন্তু কেন এই দুরবস্থা? আসলে আমেরিকা-কানাডা-মেক্সিকোয় আয়োজিত বিশ্বকাপের অধিকাংশ ম্যাচ ভারতীয় সময় গভীর রাতে। মূলত রাত সাড়ে বারোটা, দেড়টা, সাড়ে তিনটে, ভোর সাড়ে চারটে কিংবা সকাল সাড়ে ছটায়। সেই সময় কি বিপুল পরিমাণ দর্শক খেলা দেখবেন? সংশয়ে চ্যানেল সংস্থাগুলো। সম্ভবত সে কারণেই উৎসাহ হারাচ্ছে টেলিভিশন সংস্থা বা ওটিটি প্লাটফর্মগুলো।
এহেন পরিস্থিতিতে বিশ্বকাপ দেখার আবেদন জানিয়ে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন কয়েকজন ফুটবলপ্রেমী। তাঁদের আবেদন, ফিফা বিশ্বকাপকে ইতিমধ্যেই জাতীয় মর্যাদাসম্পন্ন টুর্নামেন্ট হিসাবে অভিহিত করা হয়েছে। এই টুর্নামেন্ট যদি দূরদর্শনের মতো চ্যানেলগুলিতে সম্প্রচার করা না হয় তাহলে সেটা সংবিধানের কিছু অংশ লঙ্ঘন করবে। যেহেতু প্রসার ভারতীর কাছে বিশ্বকাপ সম্প্রচারের যাবতীয় পরিকাঠামো রয়েছে, তাই দেশের ফুটবলপ্রেমীদের জন্য় বিশ্বকাপ সম্প্রচার করা উচিত-এমনটাই দাবি ছিল আবেদনকারীদের। সেই আবেদনে সাড়া দিয়েছে দিল্লি হাই কোর্ট। কিন্তু যাদের বাড়িতে টিভি নেই, সেই ফুটবলপ্রেমীদের জন্য সমস্যা এখনও মেটেনি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ভাঙড় বিস্ফোরণের ‘মূলচক্রী’, শওকতকে ১৪ দিনের এনআইএ হেফাজতে পাঠাল আদালত
-
সরকারি সম্পত্তি ধ্বংসে ‘জিরো টলারেন্স’, সিএএ বিক্ষোভে ভাঙচুরে তদন্তের নির্দেশ শুভেন্দুর
-
গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন? অস্ত্র মামলায় আদালতে আত্মসমর্পণ খান স্যরের
-
বরানগর-বারাকপুর মেট্রো প্রকল্পের অগ্রগতি, হকারের পুনর্বাসনের আর্জি জানিয়ে রেলমন্ত্রীকে চিঠি বিধায়ক কৌস্তভের
-
কেন ভাঙা হবে না পুরবোর্ড? ৭২ ঘণ্টায় জবাব চাইল রাজ্য, এবার কলকাতা পুরসভায় প্রশাসক!