Advertisement
Advertisement
FIFA World Cup

বিশ্বকাপে খেলতে হলে হারতে হবে শেষ ম্যাচ, ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে নিকৃষ্টতম দেশের সামনে আজব অঙ্ক

নিজেদের ৩৫ বছরের ফুটবল ইতিহাসে মাত্র ৩টি ম্যাচ জিতেছে ইউরোপের এই দেশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৫, ১৯:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৫, ১৯:১৫

options
link
বিশ্বকাপে খেলতে হলে হারতে হবে শেষ ম্যাচ, ফিফা র‌্যাঙ্কিংয়ে নিকৃষ্টতম দেশের সামনে আজব অঙ্ক zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘হার কর জিতনেওয়ালে কো বাজিগর কেহতা হ্যা।’ বলিউডি সিনেমার জনপ্রিয় ডায়লগ যেন ফুটবল বিশ্বকাপ অর্জনের মঞ্চে বাস্তব হতে চলেছে। ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের সবচেয়ে নিচে থাকা দল সান মারিনো (২১০)। শেষ ৯টা ম্যাচের একটাও জেতেনি। বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে নিজেদের গ্রুপে সবার শেষে। এমনকী নিজেদের ৩৫ বছরে ফুটবল ইতিহাসে মাত্র ৩টি ম্যাচ জিতেছে। অথচ ইউরোপের সেই ছোট্ট দেশের কাছেই এখন ফিফা বিশ্বকাপ খেলার সুযোগ। তবে তার জন্য তাদের শেষ ম্যাচে অবশ্যই হারতে হবে।

হ্যাঁ, ঠিকই পড়েছেন। শেষ ম্যাচে হারলে তবেই বিশ্বকাপ যোগ্যতা অর্জন করার সুযোগ আসবে সান মারিনোর কাছে। বিষয়টা বুঝিয়ে বলা যাক। বাছাই পর্বে গ্রুপ এইচে আছে তারা। শীর্ষে থাকা অস্ট্রিয়ার ৬ ম্যাচে পয়েন্ট ১৫। এরপর বসনিয়া ৬ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট, রোমানিয়া ৬ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট। ৭ ম্যাচে সান মারিনোর পয়েন্ট শূন্য। শেষ ম্যাচে অস্ট্রিয়ার কাছে তারা হেরেছে ১০-০ গোলে। বাছাই পর্বে তাদের শেষ ম্যাচ রোমানিয়ার সঙ্গে।

Advertisement

সেখানেই শুরু হবে জটিল অঙ্ক। সান মারিনো হারলে রোমানিয়ার পয়েন্ট হবে ১৩। যদি বেশি গোলে হারে তাহলে গোলপার্থক্যে দ্বিতীয় স্থানে উঠে যেতে পারে রোমানিয়া। অবশ্য তার জন্য বসনিয়াকে অস্ট্রিয়ার কাছে হারতে হবে। সেক্ষেত্রে এইচ গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের প্রথম তিন দাঁড়াবে এরকম- অস্ট্রিয়া (১৮ পয়েন্ট), রোমানিয়া (১৩), বসনিয়া (১৩)। গ্রুপের সেরা দল বিশ্বকাপে সরাসরি খেলবে। ১২টি গ্রুপের মধ্যে দ্বিতীয় সেরা চারটি দল প্লে অফে খেলতে যাবে। অর্থাৎ এই অঙ্কে অস্ট্রিয়া বিশ্বকাপে ও রোমানিয়া প্লে অফে।

এবার শুরু দ্বিতীয় দফার অঙ্ক। যার জন্য দায়ী বিশ্বকাপ যোগ্যতা অর্জন পর্বে উয়েফার অদ্ভুত নিয়ম। ২০১৮ সালে নেশনস লিগ শুরু হয়। যেখানে ছোট দলগুলোকে উন্নতির সুযোগ দেওয়া হয়। আশ্চর্যজনকভাবে গত বছর সেই লিগে সান মারিনো একেবাবে নিচের তলার গ্রুপ ডি১-এ শীর্ষে ছিল। এবার তার ফলেও বিশ্বকাপের প্লে অফে খেলার সুযোগ থাকে। একই ভাবে রোমানিয়াও নেশনস লিগের সি২ গ্রুপে শীর্ষে। ফলে তারাও নিয়মমতো তারাও প্লে অফে খেলার দাবিদার।

যদি রোমানিয়া বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের এইচ গ্রুপে দ্বিতীয় হয়, তাহলে নিয়ম অনুযায়ী তারা প্লে অফে যাবে। নেশনস লিগের সাফল্য তাদের কাজে লাগবে না। তাহলে বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ‘এইচ’ গ্রুপ থেকে প্লে অফে যাওয়ার দাবিদার কে? নেশনস লিগের ডি১ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন সান মারিনো। ব্যস। প্লে অফে সুইডেন বা নর্থার্ন আয়ারল্যান্ডের মতো দলের মুখোমুখি হতে পারে তারা। সেখানে জিতলেই পরের বছর বিশ্বকাপ। যারা গত ৯ ম্যাচে জেতেনি, তারা প্লে অফে জিতবে, সেটা ভাবা একটু দুরাশা। কিন্তু আশা করতে দোষ কোথায়? যদিও সবটাই নির্ভর করছে রোমানিয়ার কাছে তাদের হার ও অস্ট্রিয়ার জয়ের উপর। ফর্মের বিচারে প্রথমটা অসম্ভব নয়। দ্বিতীয়টা হয় কি না, সেটাই দেখার।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.