Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Phir Aayi Hasseen Dillruba Movie Review

সেক্স, খুন, প্রেমের খেলায় ফের মাতলেন ‘হাসিন’ তাপসী পান্নু, কতটা জমল ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’?

নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে এই ছবি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৪, ১৫:১৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ৯, ২০২৪, ১৫:১৫

options
link
সেক্স, খুন, প্রেমের খেলায় ফের মাতলেন ‘হাসিন’ তাপসী পান্নু, কতটা জমল ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’? zoom

আকাশ মিশ্র: রানি বউদি সেই একই ছকে খেললেন। আর প্রেমে অন্ধ রানির স্বামী রিশু। সেই একই কায়দায় ঢাকাচাপা দেওয়ার প্রচেষ্টায়! তবে প্রথমবারের তুলনায়, এবারের খেলা সহজ ছিল না। বরং আরও প্য়াঁচালো, আরও টুইস্টে ভরপুর। সঙ্গে দাবাং পুলিশ অফিসার মন্টু মামার মগজের চাল। মোটামুটি এভাবেই ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’র প্লট সাজালেন পরিচালক জয়প্রদ দেশাই। যেখানে রইল ২০২১ সালে মুক্তি পাওয়া ‘হাসিন দিলরুবা’ পুরনো স্বাদ। যাঁর পরিচালক ছিলেন বিনিল ম্যাথু।

গল্পের শুরু ‘হাসিন দিলরুবা’র শেষ দৃশ্য থেকেই। যেখানে একেবারে গায়েব হয়ে যান রিশু (বিক্রান্ত মাসে) এবং রানি (তাপসী পান্নু)। শহর বদলে ফেলে। পরিচয় বদলে ফেলে। কিন্তু পাপ তো বাপকেও ছাড়ে না। আর তাই হাজার লুকিয়েও, রানি কিন্তু গোপন রাখতে পারে না, তাঁর প্রেম প্রেম খেলা। আর এবার রানির প্রেমে মত্ত হয় সানি কৌশিল। আর প্রেমের মাঝেই পুরনো পাপের হিসেব নিতে মাঠে নামেন পুলিশ অফিসার মন্টু (জিমি শেরগিল)। কারণ, মন্টু আগে থেকেই আঁচ করতে পারে, রিশু ওরফে বিক্রান্ত আসলে মরেনি এবং রানি ও রিশু মিলে যে এবার নতুন খেলায় মেতে উঠেছেন, তাও ধরতে পারে অফিসার মন্টু। রানি, রিশুকে ধরা-ছোঁয়ার খেলাই ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’র গল্প।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘দেশে শান্তি বিরাজ করুক’, মায়ের অসুস্থতাজনিত কারণেই বাংলাদেশ নিয়ে ‘চুপ’ চঞ্চল]

‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’ এমন এক ছবি যা দেখতে বসলে, পর্দায় চলা গল্পের সঙ্গে মগজেও আরেক গল্প চলবে। যা কিনা প্রতিটি ফ্রেমে উৎকণ্ঠা তৈরি করবে। যে কোনও থ্রিলার ছবির প্রাথমিক উপাদানই হল টানটান রহস্য জমিয়ে রাখা। সেক্ষেত্রে ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’ একেবারে পারফেক্ট। বলা ভালো ‘হাসিন দিলরুবা’র তুলনায়, ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’ অনেকাংশেই এগিয়ে।

তবে খুঁত রয়েছে কিছু। বেশ কিছু জায়গাই ছবিটা শ্লথ গতিতে এগিয়েছে, যা কিনা হেসে খেলে এড়িয়ে যেতে পারতেন পরিচালক। ছবির এডিটর আরেকটু বেশি যত্নবান হলে হয়তো আরও মুচমুচে হতে পারত এই ছবি। অভিনয়ের দিক থেকে বিক্রান্ত, তাপসী ও সানি তিনজনেই দুরন্ত। তবে পুরো লাইমলাইটটা কেড়ে নিয়েছেন জিমি শেরগিল। দাবাং পুলিশ অফিসার মন্টু মামার চরিত্রে একেবারে পারফেক্ট তিনি।

সবশেষে বলা যায়, যাঁরা থ্রিলারধর্মী ছবি দেখতে পছন্দ করেন, তাঁদের বেশ ভালো লাগবে এই ছবি। আর হ্যাঁ, ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’ কিন্তু এখানেই শেষ নয়। তৃতীয় চ্যাপ্টারেও যে রানি চমক দেবেন তার ইশারা রয়েছে ‘ফির আয়ি হাসিন দিলরুবা’তেও।

[আরও পড়ুন: ‘বলতে পারছি না চিরশান্তিতে থাকুন’, বুদ্ধপ্রয়াণে বিস্ফোরক তসলিমা! লিখলেন ‘অন্য অধ্যায়ে’র কথা]

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.