Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৯ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২৭ আগস্ট ২০২৬
Love Sitara Review

জগাখিচুড়ি হলেও সুস্বাদু! ‘লাভ সিতারা’য় শোভিতা ধুলিপালা অনবদ্য

পড়ুন 'লাভ সিতারা' রিভিউ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০২৪, ২১:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২, ২০২৪, ২১:২৪

options
link
জগাখিচুড়ি হলেও সুস্বাদু! ‘লাভ সিতারা’য় শোভিতা ধুলিপালা অনবদ্য zoom
Advertisement

সন্দীপ্তা ভঞ্জ : ‘সুখী পরিবার’, বন্দি ফ্রেমের আড়ালে সবটাই কি সুখের? নাকি ‘সুখী পরিবার’ একটা মিথ? পরিচালক বন্দনা কাটারিয়ার ‘লাভ সিতারা’ সেরকমই একটি গল্প বলে। আর পাঁচটা সাধারণ প্রতিষ্ঠিত পরিবারের অন্দরমহলের গল্প খুব সহজ-সরলভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে সিনেমায়।

একটি পরিবার যেখানে একে-অপরের সিক্রেট বাক্সবন্দি রাখে, যাতে অপরপ্রান্তের মানুষটি দুঃখ না পায়। ছবির মূল চরিত্রে সিতারা। যে ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শোভিতা ধুলিপালা। সেই প্রোটাগনিস্টের মুখ দিয়েই পরিচালক বন্দনা বলিয়ে নেন যে, সত্যিকারের সুখী পরিবার হল, যেখানে কেউ কাউকে বিচার করে না। বরং একে-অপরের প্রতি আন্ডারস্ট্যাডিং থাকে বা একে-অপরের খুশিতে শামিল হয় শত দুঃখ সত্ত্বেও। যৌথ পরিবার বজায় রাখতে অনেকেই যে অনেক সত্যিটা লুকিয়ে রাখেন কিংবা খুশি থাকার ভান করেন, সেটা বোধহয় খুব একটা অচেনা দৃশ্য নয় সমাজে। ‘লাভ সিতারা’য় প্রেম-রোম্যান্স সহযোগে খুব সুন্দর একটুকরো চেনা জীবনের গল্প তুলে ধরা হয়েছে।

Advertisement

গল্পটা কীরকম? শোভিতা ধুলিপালা ওরফে সিতারা এখানে একজন ইন্টেরিয়র ডিজাইনার। যে আচমকাই আবিষ্কার করে যে সে অন্তঃসত্ত্বা। এরপরই প্রেমিক অর্জুন ওরফে রাজিব সিদ্ধার্থকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। যদিও বছর তিনেক আগে সেই প্রেমিককেই ফিরিয়ে দিয়েছিল এই বলে যে সে জীবনে সন্তান চায় না। এতে তার শারীরিক গড়ন বদলে যাবে। সেই মেয়েটিই এবার বিয়ের জন্য উঠেপড়ে লাগে। প্রেমিক পাঞ্জাবি আর সিতারা আদ্যপান্ত দক্ষিণী পরিবারের মেয়ে। ভিন বিয়েতে যদিও কেউ অমত করেনি পরিবারে। গ্রামের বাড়িতে চলে তোড়জোড়। সেখানেই একের পর এক সিক্রেট উন্মোচন হতে থাকে সিনেমার স্তরে স্তরে। পিবারের প্রত্যেক সদস্যেরই অতীতের কিছু না কিছু সিক্রেট রয়েছে। কী সেটা? জানতে হলে জি ফাইভের পর্দায় চোখ রাখুন।

এবার আসা যাক সিনেমার ট্রিটমেন্টের দিকে। শুরুর দিকটা ঝিমনো হলেও গল্প এগনোর সঙ্গে সঙ্গে দেখতে মন্দ লাগে না। সম্পর্কের জটিল ধাঁধায় জড়িয়ে যাওয়া কাকে বলে? সেটাই দেখতে পাবেন। যেখানে সকলকেই নিজেরে বিক্ষিপ্তভাবে দেখতে পায়। বাস্তব জীবনে খুব একটা অচেনা নয় কিন্তু এই ছবি। ১ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের সিনেমার চিত্রনাট্যে একাধিক প্লট জগাখিচুড়ির মতো এদিক ওদিক দেখালেও ইমোশনাল পয়েন্টগুলোর সঙ্গে একাত্ম হতে পারবেন। বিশেষ করে বেশ কিছু সংলাপ মনে গেঁথে যায়। তবে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, ‘লাভ সিতারা’য় শোভিতা ধুলিপালা অনবদ্য এবং যথার্থ রাজীব সিদ্ধার্থ। সোনালি কুলকার্নিও সারপ্রাইজিং।

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.