Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Call Me Bae Series Review

দুর্বল গল্পে অনন্যাই একমাত্র ঝকঝকে, জমল না ‘কল মি বে’ সিরিজ

আমাজন প্রাইমে মুক্তি পেয়েছে এই সিরিজ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৪, ১৫:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০২৪, ১৫:৩৯

options
link
দুর্বল গল্পে অনন্যাই একমাত্র ঝকঝকে, জমল না ‘কল মি বে’ সিরিজ zoom

আকাশ মিশ্র: ‘বড়লোকের বেটি লো…’ টাকার কমতি নেই, ইচ্ছের ঘাটতি নেই। মন খারাপ হলে বিদেশে ছুট্টে গিয়ে ছুটি কাটানো। কিংবা দামি দামি শপিং। এদিকে সংসারে তাঁকে ভালোবাসার লোক কম। সবাই তো টাকা দিয়ে ক্ষান্ত। ফলাফল, বড্ড একাকী! তাহলে সে বেঁচে রয়েছে কীসের জন্য? তাঁর জীবনের উদ্দেশ্যই বা কী? হ্য়াঁ, এমনই এক গল্পে ঠাসা সিরিজে ‘কল মি বে’। যা দিয়ে সিরিজের দুনিয়ায় পা দিলেন অনন্যা পাণ্ডে। পরিচালক কলিন ডি’কানহা। এক ঝকঝকে উপাস্থাপনা। স্টাইলিস্ট এবং স্মার্ট। তবে উপস্থাপনায় নতুনত্ব থাকলেও, আসলে এই সিরিজ একেবারেই ফাঁপা! পরিচালক মূলত, অর্থর চেয়ে জীবনে ভালোবাসার গুরুত্বকে বোঝাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু গল্পকে স্টাইলিস করতে গিয়ে, সিরিজের শেষ পর্যায়ে এসেই তা দেখিয়েছেন। বাদ বাকি সিরিজ কিছুটা ‘এমিলি ইন প্যারিস’, কিছুটা ‘আয়েশা’ ছবি এবং কিছুটা ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’ থেকে একেবারেই অনুপ্রাণিত।

গল্পটা একটু ছুঁয়ে নেওয়া যাক। বেলা ওরফে অনন্যা পাণ্ডে। আপদমস্তক ব্র্যান্ডে মোড়া। জীবন লড়াই সম্পর্কে কোনও জ্ঞান নেই তাঁর। ফূর্তিই তাঁর জীবনের অঙ্গ। কিন্তু হঠাৎই ঘটনাচক্রে অনন্য়া পাণ্ডে উপলদ্ধি করেন, তাঁর জীবনে কোনও উদ্দেশ্য নেই। ব্যস, তারপরই নিজের পায়ে দাঁড়ানোর চেষ্টা। নতুন শহর, নতুন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ। আহ্লাদি বেলা, চাকরি পায় সংবাদমাধ্যমে। জীবন একেবারেই টুইস্টে ভরে যায়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: এই দুর্গাপুজোয় নারীশক্তির জয়গান গাইবেন আলিয়া, ‘জিগরা’য় মারকাটারি নায়িকা]

এই সিরিজ দেখতে ভালো, কিন্তু অন্তঃসারশূন্য। অনেক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা থাকলেও, পরিচালক তাঁর উদ্দেশ্য থেকে বার বার সরে এসেছেন। বরং ফোকাস পেয়েছে অনন্যার স্টাইল।

এই সিরিজ একেবারেই যে অনন্যাকে প্রোমোট করার জন্য তৈরি করা হয়েছে, তা প্রতিটি এপিসোডে স্পষ্ট। কারণ, অনন্যাকে ছাড়া কোনও দৃশ্যায়ণই তৈরি করেননি পরিচালক। আর সেকারণেই গল্প কোথাও যেন পুরোটাই অনন্যা নির্ভর হয়ে পড়ে। তবে অনন্যা কিন্তু নিজের একশো শতাংশ দিয়েছেন। ছটফটে চরিত্রে বেশ মানানসই তিনি। বরং বলা ভালো, নিজেকেই যেন সিরিজে ফুটিয়ে তুলেছিলেন অনন্যা। তবে এই সিরিজের আসল চমক কিন্তু অভিনেত্রী মুসকান জাফেরি। সায়রা চরিত্রে তিনি দারুণ। বরুণ সুদও বেশ ভালো। নজর কেড়েছেন গুরফতেহ পীরজাদা। সাংবাদিকের চরিত্রে তিনি বেশ ভালো। তবে এই চরিত্রকে আরও একটু দেখাতে পারতেন পরিচালক। শেষমেশ বলা ভালো, ‘কল মি বে’ খুবই মধ্যমানের একটি সিরিজ। এই সিরিজ নতুন কোনও স্বাদ দিতে পারে না।

[আরও পড়ুন: প্রথমবার সিরিজে ‘মহিষাসুরমর্দিনী’, উমা রূপে রাজনন্দিনীর লুক প্রকাশ্যে]

 

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.