সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বর্ডার গাভাসকর ট্রফিতে হতাশাজনক ফল করেছে ভারত। সেই সঙ্গে চিন্তা বাড়িয়েছে রোহিত-বিরাটের ফর্ম। ইতিমধ্যে দাবি উঠছে দুজনেরই ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা উচিত। এমনকী ভারতের কোচ গৌতম গম্ভীরও ঘুরিয়ে এই পরামর্শ দিয়েছেন। এবার তাতে সুর মেলালেন রবি শাস্ত্রী।
ভারতের প্রাক্তন কোচের সাফ বক্তব্য, “যদি ওরা সময় পায়, তাহলে আমার মতে দুজনেরই ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা উচিত। যদি তুমি টেস্ট ম্যাচ খেলতে চাও, তাহলে দুটো কারণে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা উচিত। প্রথমত, নতুন প্রজন্মের সঙ্গে তুমি টক্কর দিতে পারবে। দ্বিতীয়ত, উঠতি প্রতিভারাও তোমার থেকে শিখতে পারবে।”
রোহিত পারথে প্রথম টেস্ট খেলেননি। সিডনিতে শেষ টেস্টে ‘দলের স্বার্থে’ নামেননি। বাকি তিন টেস্টে করেছেন মাত্র ৩১ রান। গড় ৬.১। নেতৃত্বও দিশাহীন। ভারত অধিনায়কের জন্য দুঃস্বপ্নের মতো কেটেছে এই সফর। বিরাট কোহলিও এই সিরিজ ভুলে যেতে চাইবেন। পারথে একটি সেঞ্চুরি ছাড়া ফর্ম বলার মতো নয়। আটবার অফ স্টাম্পের বাইরে খোঁচা দিয়ে ফিরেছেন। ২৩.৭৫ গড়ে করেছেন ১৯০ রান।
সেই কারণে রোহিত-বিরাটকে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলতে বলার শাস্ত্রীয় পরামর্শ, “বিপক্ষে যদি ভালো মানের স্পিনার থাকে, তাহলে ওরা তোমায় সমস্যায় ফেলবে। যেটা ভারতের জন্যও সমস্যার।” তাঁর আরও বক্তব্য, “ওরাই বলতে পারবে, ওরা কতটা ক্ষুধার্ত। একজন ৩৬, অন্যজন ৩৮। যদি ভালো করার ইচ্ছা থাকে, তাহলে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ।”
সেই সূত্রে শচীন তেণ্ডুলকরের উদাহরণ টেনে এনেছেন শাস্ত্রী। ভারতের প্রাক্তন কোচের বক্তব্য, “শচীনের কেরিয়ারের শেষ কয়েক বছর দেখলে বোঝা যায়, সেরা ফর্মে ছিল না। কিন্তু দেশের জন্য অবদান রাখার জন্য মুখিয়ে থাকত। যাতে পরবর্তী প্রজন্মও শিখতে পারে।” শাস্ত্রী মনে করেন, শুভমান গিল, যশস্বী জয়সওয়াল, ঋষভ পন্থের মতো ক্রিকেটারদের সাহায্য করতে পারেন কোহলি। তিনি বলেন, “অনেক নতুন ক্রিকেটার আছে, যারা বিরাটের অভিজ্ঞতা থেকে শিখতে পারে।”
সর্বশেষ খবর
-
ভারত সীমান্তে জমি লিজ দেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশিদের! তথ্য সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসল বিএসএফ
-
ক্রীড়া দিবসে তরুণ প্রজন্মকে ‘খেলো ইন্ডিয়া’র বিশেষ বার্তা দেবেন মোদি, থাকবেন বাইচুং-সাইনারাও!
-
দিল্লিতে ফের সরকার বিরোধী আন্দোলনের ডাক ‘আরশোলা’দের, প্রতিবাদের নামে বিক্ষোভের ছক!
-
‘দাদাগিরি’র মঞ্চে রুক্মিণী, শুভশ্রী আর ইধিকা পালকে একসঙ্গে চাইবেন? দেব বললেন…
-
বিপজ্জনক পথকুকুরদের ইউথেনেশিয়া! ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে নয়া পদক্ষেপ কেরল সরকারের