সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মাঠের মধ্যে খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ে আইসিসি বড্ড বেশি কড়াকড়ি করছে বলে মত হরভজন সিংয়ের। সম্প্রতি অ্যাডিলেড টেস্টে মহম্মদ সিরাজ এবং ট্র্যাভিস হেডের তর্কাতর্কি নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়েছে ক্রিকেটমহলে। দুই ক্রিকেটারকে শাস্তিও দিয়েছে আইসিসি। এহেন পরিস্থিতিতে ভাজ্জির তোপ, অনেক হয়েছে এবার এসব ভুলে খেলায় ফেরা উচিত।
অ্যাডিলেড টেস্টের দ্বিতীয় দিনে হেড আউট হওয়ার পর রীতিমতো আগ্রাসী ভঙ্গিতে অজি ব্যাটারকে বাইরের পথ দেখান সিরাজ। পালটা হেডও কটূক্তি করেন। দুজনের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় অবশ্য খুব বেশিদূর গড়ায়নি। খেলা শেষ হয়ে যেতে দুই ক্রিকেটার একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। কিন্তু দুজনকেই পরে দোষী সাব্যস্ত করে আইসিসি। আইসিসির নিয়ম লঙ্ঘনের অপরাধে দুজনের নামের পাশেই এক ডিমেরিট পয়েন্ট যোগ হয়েছে। সেই সঙ্গে আইসিসির কোড অফ কনডাক্ট লঙ্ঘনের শাস্তি হিসাবে সিরাজের ম্যাচ ফির ২০ শতাংশ কেটে নেওয়া হয়েছে। হেডও আইসিসির কোড অফ কন্ডাক্ট লঙ্ঘন করেছেন, কিন্তু তাঁকে জরিমানা গুণতে হবে না।
আইসিসির তরফে বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়ার পরেও সিরাজকে কাঠগড়ায় তুলছেন প্রাক্তন অজি ক্রিকেটাররা। কারও মতে, সেলিব্রেশন করতে গিয়ে অতিরিক্ত আগ্রাসন দেখাচ্ছেন সিরাজ। ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্টের উচিত সিরাজের সঙ্গে এই নিয়ে কথা বলা। তবে গোটা বিষয়টি নিয়ে অহেতুক জলঘোলা হচ্ছে বলে মত ভাজ্জির। তাঁর কথায়, “আমার মনে হয় আইসিসি বড্ড কড়াকড়ি করছে ক্রিকেটারদের উপর। মাঠে এমনটা হয়েই থাকে।”
‘মাঙ্কিগেট’-এর অন্যতম প্রধান চরিত্র ভাজ্জি বলছেন, “দুই ক্রিকেটার নিজেদের মধ্যে মিটমাট করে নিয়েছে। তা সত্ত্বেও দুজনের উপর শাস্তি চাপিয়েছে আইসিসি। এবার এসব বন্ধ হোক। অনেক হয়েছে, আর নয়। এসব বিতর্ক ছেড়ে এবার ক্রিকেটে মন দেওয়া উচিত সকলের।” হরভজনের সঙ্গে একমত পীযূষ চাওলাও। তাঁর কথায়, এইভাবে কাউকে ঠিক-ভুল হিসাবে ধরা যায় না। তাই অ্যাডিলেডে যা ঘটেছে, সেই নিয়ে বারবার আলোচনা করে বিতর্ক বাড়ানোর দরকার নেই।
সর্বশেষ খবর
-
‘জেন আলফা’দের হাত ধরে আসবে সাফল্য, ২০৩৬-এ ভারতে অলিম্পিক আয়োজনে স্বপ্ন মোদির
-
‘বিকশিত ভারত’ গড়ার নীল নকশা! লালকেল্লায় ‘শক্তির সপ্তধারা’ কর্মসূচির উল্লেখ মোদির
-
স্বাধীনতা দিবসে সুখবর! পর্যটন প্রসারে জোড়া ট্রেন প্রাপ্তি পুরুলিয়ার
-
যুদ্ধ আবহে চরমে জ্বালানি-জ্বালা! ‘২০৪৭-এ বিকশিত ভারত গড়বই’, লালকেল্লায় ‘আত্মনির্ভরতা’র বার্তা মোদির
-
‘কর্মযোগ’ ও ‘স্বাধীনতা’-র ধারণা দিয়েছিলেন ঋষি অরবিন্দ