Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
India Cricket Team

নেতৃত্বে অনভিজ্ঞ গিল, মিডল অর্ডারে ‘বঞ্চিত’ শ্রেয়স-সরফরাজ, ইংল্যান্ডে অগ্নিপরীক্ষা গম্ভীর ব্রিগেডের

'সেনা' দেশগুলিতে শুভমানের গড় মাত্র ২৫, শার্দূলের থেকেও কম।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৫, ১৮:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৪, ২০২৫, ১৮:৩৭

options
link
নেতৃত্বে অনভিজ্ঞ গিল, মিডল অর্ডারে ‘বঞ্চিত’ শ্রেয়স-সরফরাজ, ইংল্যান্ডে অগ্নিপরীক্ষা গম্ভীর ব্রিগেডের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রোহিত-কোহলি পরবর্তী জমানা শুরু হয়ে গেল। আরও স্পষ্ট করে বললে নয়া গম্ভীর জমানার। প্রত্যাশিতভাবেই নেতৃত্বের দায়িত্ব এসে পড়ল শুভমান গিলের উপর। কিন্তু তিনি কি তৈরি? সেই প্রশ্ন যেমন রয়েছে, তেমনই উঠে আসছে শ্রেয়স-সরফরাজের ‘বঞ্চিত’ থাকার কথা। ফলে ইংল্যান্ডে পাঁচ টেস্টে অগ্নিপরীক্ষার সামনে গম্ভীর ব্রিগেড।

রোহিত-কোহলি দুজনের টেস্ট অবসর নিয়েই একরাশ বিতর্ক হয়েছে। তখনই জল্পনা শুরু হয়ে যায় শুভমান গিলকে অধিনায়ক করা হবে। শনিবার দলঘোষণায় সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিলেন নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকর। তবে জশপ্রীত বুমরাহকে কেন অধিনায়ক করা হল না, সেই প্রশ্নও উঠেছে। আগরকরের সাফ বক্তব্য, বুমরাহ হয়তো তিন-চারটি টেস্ট খেলবেন। সেটা অধিনায়ক হওয়ার জন্য যথেষ্ট নয়। কিন্তু শুভমানের অনভিজ্ঞতা? ইংল্যান্ডের কঠিন সফরে গুরুদায়িত্ব হয়তো তাঁকে পরিপক্ব করবে। তবে কেএল রাহুলও সেই জুতোয় পা গলাতে পারতেন। কিন্তু নির্বাচকরা বা কোচ যেন সব ঠিকই করে ফেলেছেন। ভালো-মন্দ যাই আসুক না কেন, তাঁরা ‘জেন গোল্ড’-এর দিকেই তাকাবেন। সেক্ষেত্রে শুভমান যদি অধিনায়ক হিসেবে ব্যর্থ হন, তাহলে ‘প্ল্যান বি’ কী সেটাও প্রশ্ন।

Advertisement

শুধু নেতা গিল নয়, প্রশ্ন ব্যাটার গিলকে নিয়েও। এর আগে ইংল্যান্ডে খেলেননি তিনি। অন্যদিকে ‘সেনা’ দেশগুলিতে তাঁর টেস্ট গড় মাত্র ২৫.৪৩। এমনকী শার্দূল ঠাকুরের গড়ও তাঁর তুলনায় বেশি। অস্ট্রেলিয়ায় দেখা গিয়েছে, বাইরের বল ভিতরে টেনে আউট হচ্ছেন গিল। ইংল্যান্ডে বল সুইং করবে। পিচে ঘাস থাকবে, বল বাউন্স করবে। তার উপর মেঘলা আকাশের স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় রিভার্স সুইংও হবে। সেখানে গিল অ্যান্ড কোং কী করে সেটা দেখার। সব ঠিক থাকলে ইংল্যান্ডেই অভিষেক হবে অভিমন্যু ঈশ্বরণ ও সাই সুদর্শনের। দুজনেই নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। ঠিক একইভাবে তো ঘরোয়া ক্রিকেটে শ্রেয়স আইয়ারও করেছেন। ভারতের জার্সিতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছেন। ১০ কেজি ওজন কমানো সরফরাজ খানও আছেন। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরি করেছিলেন। অথচ তিনি সুযোগ পেলেন না। তাহলে কি বিদেশের মাটিতে তাঁদের ধরা হচ্ছেই না? কোন যুক্তিতে? আরও বড় কথা, ভালো পারফর্ম করেও টেস্ট দলে ডাক না পাওয়ার পিছনে ঠিক কোন কোন ‘শর্ত’ থাকছে?

কারণ, রাহুলের টেস্ট গড় ভালো নয়। পন্থের ধারাবাহিকতা নিয়েও প্রশ্ন থাকছে। নায়ার ফিরলেন ৮ বছর পর। জুড়েল, সুন্দর, নীতীশদের অভিজ্ঞতা যৎসামান্য। সেখানে কি শ্রেয়স-সরফরাজরা ‘বঞ্চিত’ থেকে গেলেন? অক্ষর প্যাটেলকে নিয়েই বা কী ভাবছে ম্যানেজমেন্ট? হর্ষিত রানাকে তাহলে অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে গিয়ে কী লাভ হল? ইংল্যান্ডে স্পিন হয়তো সেভাবে কার্যকরী হবে না। ফলে জাদেজা-কুলদীপ জুটি কাজ চালিয়ে দিতে পারবে। বোলিং বিভাগে বুমরাহ সব ম্যাচ না খেললে সিরাজ-প্রসিদ্ধরা কী করেন, সেদিকে চোখ থাকবে। সব মিলিয়ে রোহিত-কোহলি জমানার যেরকম শেষটা সেরকম হয়েছিল, সেখান থেকে উত্তরণের লক্ষ্য থাকবে গম্ভীরের ভারতের। থাকবে অনেক প্রশ্নও।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.