Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Ind vs Ban

ডিআরএস ভুল! ওপেনার আউট হতেই অভিযোগ বাংলাদেশের, পালটা দিলেন রবি শাস্ত্রীরা

বাংলাদেশ ওপেনার শাদমান ইসলামের আউট নিয়ে বিতর্ক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৪, ১৫:৫৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৪, ১৫:৫৬

options
link
ডিআরএস ভুল! ওপেনার আউট হতেই অভিযোগ বাংলাদেশের, পালটা দিলেন রবি শাস্ত্রীরা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভারত বনাম বাংলাদেশ দ্বিতীয় টেস্টে বিতর্ক বাঁধল ডিআরএস ঘিরে। টাইগার বাহিনীর ওপেনার শাদমান ইসলামের আউট ঘিরে কমেন্ট্রি বক্সেই তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়লেন ধারাভাষ্যকাররা। উল্লেখ্য, শাদমান আউট হওয়ায় বিস্মিত হয়েছিলেন ভার‍ত অধিনায়ক রোহিত শর্মা নিজেও। সবমিলিয়ে, প্রথম দিনেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল কানপুর টেস্ট।

ঠিক কী ঘটেছে বাংলাদেশ ইনিংসে? ১৩তম ওভারে শাদমান ইসলামের প্যাডে আছড়ে পড়ে আকাশ দীপের ডেলিভারি। সঙ্গে সঙ্গে আউটের আবেদন করেন তারকা পেসার। যদিও আম্পায়ার আউট দেননি। তাতে আকাশদীপ সটান রোহিতকে ডিআরএস নিতে বলেন। উইকেটকিপারের সঙ্গে খানিক আলোচনার পর একেবারে শেষ মুহূর্তে গিয়ে রিভিউ নেন রোহিত। যদিও তাঁর মুখ দেখে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল যে ডি আর এস নিতে মোটেই আগ্রহী নন ভার‍ত অধিনায়ক।

Advertisement

কিন্তু রোহিত এবং অন ফিল্ড আম্পায়ারকে ভুল প্রমাণ করে শাদমানকে আউট দেন তৃতীয় আম্পায়ার। জায়ান্ট স্ক্রিনে সেই সিদ্ধান্ত দেখে অবাক হয়ে যান রোহিত। তার পরই শাদমানের আউট নিয়ে চর্চা শুরু হয় কমেন্ট্রি বক্সে। প্রাক্তন বাংলাদেশি ক্রিকেটার তামিম ইকবাল সাফ বলেন, “আমার মনে হয় বলটা লেগ স্টাম্প মিস করছিল। তবে ডিআরএস বোধ হয় অন্যরকম ভেবেছিল।”

সঙ্গে সঙ্গে অবশ্য তামিমকে পালটা দেন কমেন্ট্রি বক্সে থাকা রবি শাস্ত্রী। তিনি বলেন, “দীনেশ কার্তিক যেমন বলল, পুরোটাই ক্যামেরা অ্যাঙ্গেলের ব্যাপার। কখনই সোজা ভিশন দেখায় না ক্যামেরা, যার ফলে সব সময়ই মনে হয় যে বল স্টাম্প মিস করছে।” তবে ধারাভাষ্যকারদের এই আলোচনার পরেই নেটদুনিয়ায় চর্চা শুরু হয়, তাহলে কি ডিআরএস দেখে ভুল সিদ্ধান্ত নিলেন তৃতীয় আম্পায়ার?

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.