Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Taslima Nasreen

তসলিমার আর্জি শুনলেন অমিত শাহ, অবশেষে ভারতে থাকার মেয়াদ বাড়ল লেখিকার

সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে রেসিডেন্স পারমিটের মেয়াদ বাড়ানোর আর্জি জানিয়েছিলেন তসলিমা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২৪, ১৮:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২২, ২০২৪, ১৮:০৩

options
link
তসলিমার আর্জি শুনলেন অমিত শাহ, অবশেষে ভারতে থাকার মেয়াদ বাড়ল লেখিকার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রায় তিনমাস হয়ে গেল এদেশের রেসিডেন্স পারমিটের মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে তাসলিমা নাসরিনের(Taslima Nasreen)। কিন্তু ভারতেই থাকতে চান তিনি। আর সেই কারণেই সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ভারতে থাকতে দেওয়ার আর্জি জানিয়েছিলেন লেখিকা। আর মঙ্গলবার ভারতে রেসিডেন্স পারমিটের মেয়াদ বাড়তেই এক্স হ্যান্ডেলে অমিত শাহকে(Amit Shah) ধন্যবাদে ভরিয়ে দিলেন তসলিমা। 

সোমবার তসলিমা তাঁর এক্স হ্যান্ডেলে অমিত শাহকে লিখে ছিলেন, ”প্রিয় অমিত শাহজি, নমস্কার। আমি ভারতে থাকি, কারণ আমি এই মহান দেশকে ভালোবাসি। গত ২০ বছর ধরে ভারত আমার দ্বিতীয় বাড়ি। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আমার রেসিডেন্ট পারমিট পুনর্নবীকরণ করছে না গত ২২শে জুলাই থেকে। আমি খুব চিন্তিত। আমি কৃতজ্ঞ থাকব যদি আপনি আমাকে থাকতে দেন। উষ্ণ অভ্যর্থনা।” আর মঙ্গলবার তসলিমা নতুন একটি ট্যুইটে অমিত শাহর উদ্দেশে লিখলেন, ‘আপনাকে এক বিশ্ব ধন্যবাদ’।

প্রসঙ্গত, ১৯৯৪ সালে বাংলাদেশ থেকে চলে আসেন তসলিমা। সেই সময় তাঁর বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করা হয়। তার পর ইউরোপে কয়েক বছর থাকার পর ভারতেই বসবাস করতে শুরু করেন তিনি। ২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত কলকাতাতেই থাকতেন ‘লজ্জা’র লেখিকা। কিন্তু তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘দ্বিখণ্ডিত’ নিষিদ্ধ হওয়ার পর মৌলবাদীদের হুমকির মুখে বাংলা ছাড়তে বাধ্য হন তিনি। ২০১১ সাল থেকে জয়পুরেই থাকতেন তসলিমা। পরে দিল্লির বাসিন্দা হন। পেয়েছিলেন দীর্ঘকালীন রেসিডেন্স পারমিট। প্রতিবছর যা পুনর্নবীকরণ হয়ে আসছিল। কিন্তু সম্প্রতি তা না হওয়ায় আশঙ্কিত তিনি। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”আমি ভারতে ভারতে থাকতে ভালোবাসি। কিন্তু প্রায় দেড় মাস হয়ে গেল আমার রেসিডেন্স পারমিট নবীকরণ হয়নি।”

বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতির সঙ্গে কি তাঁর পারমিট নবীকরণ না হওয়ার কোনও সম্পর্ক রয়েছে? এর জবাবে লেখিকা বলছেন, ”বাংলাদেশ ও সেখানকার রাজনীতির সঙ্গে আমার তো কোনও যোগই নেই। আমি এখানে সুইডেনের নাগরিক হিসেবেই থাকি। আর আমার পারমিট বাতিল হয়েছে বাংলাদেশ বিতর্ক শুরুর আগে।” তিনি মনে করিয়ে দিচ্ছেন, ২০১৭ সালেও এমন সমস্যায় পড়তে হয়েছিল তাঁকে। সেটাকে প্রযুক্তিগত সমস্যা বলেই জানাচ্ছেন তসলিমা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.