সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টলিউডে লম্বা বিরতি। দীর্ঘ ১৪ বছর পর মা-মেয়ের গল্প নিয়ে টলিপাড়ায় প্রত্যাবর্তন শর্মিলা ঠাকুরের। ‘পুরাতন’-এর প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রায় সকলে। শুভেচ্ছার জোয়ারে ভাসছেন অনুরাগীরা। তবে তারই মাঝে দুঃসংবাদ দিলেন খোদ শর্মিলা।
সম্প্রতি সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শর্মিলা জানান, ‘পুরাতন’ই তাঁর অভিনীত হয়তো শেষ ছবি হবে। কারণ হিসাবে অভিনেত্রী জানান, বাংলা ছবি করতে তিনি ভালোবাসেন। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা মোটেও ভালো। আর একটি ছবিতে অভিনয়ের ধকল কম নয়। তাই হয়তো আর বাংলা ছবি করা হবে না। চলতি বছর মুক্তি পেলেও, ‘পুরাতন’ গত ২০২৩ সালে শুটিং হয়েছে। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা অবশ্য দারুণ। তিনি জানান, “গত ১৪-১৫ দিন ধরে গঙ্গার পাশে একটি রিসর্টে ছিলেন। সেখানে দারুণ সময় কাটিয়েছেন।”

পরিচালক সুমন ঘোষের ‘পুরাতন’ ছবির হাত ধরে দীর্ঘদিন বাদে বাংলা ছবিতে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর। মেয়ের চরিত্রে ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। সিনেমা রিলিজের আগেই বেশ কিছু ঝলকে অভিনেত্রী বুঝিয়ে দিয়েছিলেন এই ছবির রাশ তাঁর হাতে। সুমন ঘোষের ফ্রেমে মা-মেয়ের রসায়ন এর আগে বহুল প্রশংসিত হয়েছিল বিদেশের মাটিতে। এবার দেশে রিলিজ হতেই প্রশংসার জোয়ার। সইফ-করিনার ভিডিও বার্তায় আপ্লুত ঋতুপর্ণা। বরাবরই চিত্রনাট্য বেছে কাজ করা পছন্দ শর্মিলা ঠাকুরের। যে নায়িকা সত্যজিৎ রায়ের হাত ধরে সিনেসংসারে পা রেখেছিলেন, সেই ‘অপর্ণা’ যে চরিত্র কিংবা গল্প নির্বাচনের ক্ষেত্রে খুঁতখুঁতে হবেন, সেটা স্বাভাবিক। তাই সম্ভবত বাংলা সিনেদুনিয়ায় ফিরতে ১৪ বছর সময় নিলেন প্রবীণ অভিনেত্রী। তবে বছর দুয়েক আগে তাঁর শরীরে মারণরোগ ক্যানসার বাসা বাঁধে। কেমোথেরাপি ছাড়াই সুস্থও হয়ে ওঠেন অভিনেত্রী। ক্যানসার জয় করে ফের কাজের জগতে শর্মিলা ফিরে আসায় আপ্লুত সিনেপ্রেমীরা। আর কাজ করুন তিনি চান সকলেই।
সর্বশেষ খবর
-
প্রাক্তন বিধায়কের ছত্রছায়ায় দেদার তোলাবাজি-শ্লীলতাহানি! গ্রেপ্তার অশোকনগরের ‘ত্রাস’ গুপী
-
অতর্কিতেই অস্ত্র হাতে হামলা ছেলের! ‘খুন’ মা, আশঙ্কাজনক বাবা, হাড়হিম হত্যাকাণ্ড জলপাইগুড়িতে
-
অবশেষে মিলল সুখবর, দু’দিনের মধ্যেই রাজ্যে ঢুকছে বর্ষা! দক্ষিণবঙ্গে কালবৈশাখীর সতর্কবার্তা
-
ট্রাম্পের একগুঁয়েমিতে রেফারিকেই লাল কার্ড! বিমানবন্দর থেকে ডিপোর্ট করল প্রশাসন, বড় ধাক্কা বিশ্বকাপে
-
মমতা জমানায় বেহাল অর্থনীতি! দিল্লিতে নির্মলার সঙ্গে রাজ্যের অবস্থা নিয়ে কথা শুভেন্দুর