Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Prosenjit-Raj

বড়দিনের বক্স অফিসে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি, রাজের ‘সন্তান’ নিয়ে কী বললেন প্রসেনজিৎ?

আগামী ২০ ডিসেম্বর সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে ছবিটি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৪, ১৭:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৪, ১৭:২৩

options
link
বড়দিনের বক্স অফিসে লড়াই হাড্ডাহাড্ডি, রাজের ‘সন্তান’ নিয়ে কী বললেন প্রসেনজিৎ? zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বড়দিনের একটি ছুটি, তার আগেই সিনেমা হলে চার বাংলা সিনেমা। ‘খাদান’, ‘সন্তান’, ‘চালচিত্র’ আর ‘৫নং স্বপ্নময় লেন’। লড়াই হাড্ডাহাড্ডি। ওদিকে আবার হইচই প্ল্যাটফর্মে ‘ভুস্বর্গ ভয়ঙ্কর’ নিয়ে ‘ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি’। বলিউডে শুধু ‘বনবাস’, তাতে কী? ‘পুষ্পা ২’ এখনও ঝোড়ো ইনিংস খেলছে। প্রচারের অবস্থা এমন, ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচ্যগ্র মেদিনী।’ এমন পরিস্থিতিতে রাজ চক্রবর্তীর ‘সন্তান’ সিনেমা নিয়ে খুশি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। পরিচালককেই জানালেন সেকথা।

Prosenjit-Raj 1

Advertisement

প্রযোজনা সংস্থা এসভিএফের অফিসে প্রসেনজিৎ-রাজের দেখা। দেখা হতেই পরিচালককে জড়িয়ে ধরেন সুপারস্টার। ‘সন্তান’ সিনেমার জন্য জানান শুভেচ্ছা। ‘তুমি ট্রেলারটা দেখেছ?’ বুম্বাদাকে প্রশ্ন রাজের। তারকার জবাব, “মারাত্মক! আমি বম্বেতে (মুম্বই) ছিলাম। ট্রেলারটা রিলিজ হল যেদিন সেদিনই দেখেছি… আমাদের পুরনো ছবির মত।”

রাজ জানান, এতদিন ক্রাইম, অ্যাকশন, রোম্যান্স নিয়ে সিনেমা করছেন এই প্রথমবার তিনি ফ্যামিলি ড্রামা দর্শকের দরবারে আনছেন। তাতেই প্রসেনজিৎ বলেন, “এটা তোর একটা নতুন শুরু।” প্রসেনজিৎ জানান, তাঁর চারজন প্রিয় অভিনেতা সিনেমায় হয়েছে। মিঠুন চক্রবর্তী, শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়, ঋত্বিক চক্রবর্তী ও অনসূয়া মজুমদার। তাতেই আবার রাজের রসিকতা, “পাঁচ নম্বর আমি।” সকলকে ‘সন্তান’ দেখার আহ্বান জানান প্রসেনজিৎ। জানান, ট্রেলার দেখে তাঁর মন ভরে গিয়েছে। বুম্বাদার কথার সূত্র ধরে পরিচালক রাজও সকলকে ছবিটি দেখার অনুরোধ করেন।

 

প্রসঙ্গত, এর আগে সংবাদ প্রতিদিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ছবি প্রসঙ্গে জানাতে গিয়ে এর রাজ বলেন, “মধ‌্যবিত্ত পরিবারে বেশিরভাগ সময়েই দেখা যায় ছেলে-মেয়ে কেবল কর্তব‌্য পালন করছে। কোনও মতে ফোনে অল্প কথা বলা, মাস গেলে একটা খোরপোশ পাঠিয়ে দেওয়া। বাড়তি খেয়াল বা প্রয়োজনের কথা মাথায় না রাখা। এদিকে নিজেদের শপিং, খরচ করে বেড়ানো কিংবা রেস্তরাঁয় যাওয়া সবই বহাল থাকে। এই ছবিতে বাবা যখন দেখে, মায়ের অসুস্থতার জন‌্য ছেলে দায়িত্ব নিতে রাজি নয়, তখন তাকে উচিত শিক্ষা দিতে উদ‌্যত হয়। বাঙালির গল্প। তবে প‌্যানপ‌্যানে নয়, পারফরম‌্যান্স নির্ভর।”

 

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.