Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Payal Dey

এবার প্রথমবার কলকাতার পুজো দেখবে আমার সাড়ে ৫ বছরের ছেলে: পায়েল দে

মা দুগ্গার কাছে এবার কী চাইবেন পায়েল?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪, ২১:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৪, ২১:৩৪

options
link
এবার প্রথমবার কলকাতার পুজো দেখবে আমার সাড়ে ৫ বছরের ছেলে: পায়েল দে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুজোর বাকি আর মাত্র কয়েকটা দিন। ইতিমধ্য়েই শহর জুড়ে সাজ সাজ রব। অনেকেই টুকটাক শুরু করে দিয়েছেন পুজোর শপিং। অনেকের তো পুজোর প্ল্যানও তৈরি। তা টলিপাড়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রী পায়েল দে এবার পুজোতে কী কী করছেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটালের কাছে পুজোর প্ল্য়ান শেয়ার করতে গিয়ে পায়েল প্রথমেই ফিরে গেলেন ছোটবেলায়। যে সময়, টেলি দুনিয়ার ব্যস্ততা ছিল না। ছিল শুধুই পুজোর আনন্দ। পায়েলের কথায়, ”ছোটবেলার পুজো মানেই মা-বাবার হাত ধরে পুজো প্যান্ডেল ঘোরা। তবে ছোটবেলায় ভিড়ে যেতে খুব একটা পছন্দ করতাম না। খুব ভয় পেতাম। আমার মনে আছে, পুজোর সময় বাবার মারুতি ৮০০ গাড়িতে বসে পার্ক সার্কাসে যেতাম। সেখানে আমার আকর্ষণ ছিল, দুর্গা প্রতিমা আর হজমি গুলি। বাবা গাড়িটা পার্ক করত, প্যান্ডেলে যেতাম। প্রতিমা দর্শন করতাম। তার পর দোকানে গিয়ে হজমি গুলি কিনে বাড়িতে চলে আসতাম। আর হ্যাঁ, অষ্টমী অঞ্জলি দেওয়ার চেষ্টা করি। তবে কয়েকবছর ধরে সেটা হচ্ছে না। কারণ আমি পাহাড় পছন্দ করি। পুজোর সময় পাহাড়ে ঘুরতে যাই। ওখানে গেলে পাহাড়ের পুজো দেখি। কিন্তু অঞ্জলি দেওয়া হয় না। আসলে পাহাড়ে গেলে কবে সপ্তমী, কবে অষ্টমী বুঝতেই পারি না। পুজোটা দেখি, কিন্তু পুজো দেওয়া হয় না।”

Advertisement

পায়েল আরও জানালেন, ”তবে প্রতিবার একটা জিনিস করি। পুজোর কয়েকদিন আগে অভিনেতা জয়দীপ কুণ্ডুর বাড়িতে যাই। পুজোতে তো থাকতে পারি না। তাই আগে গিয়ে পুজোর কয়েকটা বাসন মেজে দিয়ে আসি। খুব বড় করেই ওই বাড়িতে পুজো হয়। ছোট্ট ছোট্ট জিনিসের মধ্যে দিয়েই পুজোর সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাই।”

তা এবারের পুজোতে কী প্ল্যান? পায়েলের স্পষ্ট উত্তর, ”এ বছর পুজোতে কলকাতাতেই থাকছি। আমার সাড়ে পাঁচ বছরের ছেলেকে নিয়ে ঠাকুর দেখব। কলকাতার জমজমাট পুজো দেখে ওর চোখ কতটা ঝলমল করবে, সেটা উপভোগ করব।” আর মা দুগ্গার কাছে কী চাইবেন? ”মায়ের কাছে এবার একটাই প্রার্থনা, সুবিচার। আমাদের আশপাশের পরিবেশটা সুস্থ ও সুন্দর হয়ে উঠুক এটাই কামনা।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.