Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
DAEI statement

কেশসজ্জা শিল্পীর ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ডিরেক্টর্স গিল্ডের, ‘বিষবৃক্ষ’ উপড়ে ফেলার ডাক

দীর্ঘ বক্তব্য পরিচালকদের সংগঠনের। কী লেখা তাতে?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৪, ২০:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৪, ২০:৪৮

options
link
কেশসজ্জা শিল্পীর ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া ডিরেক্টর্স গিল্ডের, ‘বিষবৃক্ষ’ উপড়ে ফেলার ডাক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কর্মক্ষেত্রে হয়রানির জেরে কেশসজ্জা শিল্পীর আত্মহত্যার চেষ্টা। এমনই অভিযোগে তোলপাড় টালিগঞ্জের স্টুডিওপাড়া। বিষয়টি নিয়ে এবার তীব্র প্রতিক্রিয়া দেওয়া হল ডিরেক্টর্স অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়া (DAEI) তথা ডিরেক্টর্স গিল্ডের পক্ষ থেকে।

কেশসজ্জা শিল্পীর আত্মহত্যার চেষ্টার ঘটনাকে মর্মান্তিক আখ্যা দিয়ে পরিচালকদের সংগঠনের পক্ষ থেকে লেখা হয়, ‘জল অনেকদিন ধরেই বাড়ছে, এখন বিপদ ঘন্টা বেজে গেছে, রাজ্যের গ্রামাঞ্চলেও, আমাদের কর্মস্থলেও।’ জানানো হয় যে শিল্পী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন তিনি পরিবারের একমাত্র রোজগেরে সদস্য। তাঁর প্রাক্তন স্বামী অসুস্থ হওয়ায় তিনি তাঁর শুশ্রুষার ভারও নেন। এবং একাই ছোট মেয়ের কলেজের পড়াশুনো খরচ সামলান। এমন পরিস্থিতিতে গিল্ডের সিদ্ধান্ত শিল্পীর উপর ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’য়ের মতো ছিল।

Advertisement

এর পরই লেখা হয়, ‘তবে আমরা, ইন্ডাস্ট্রির মানুষেরা সকলেই জানি, ফেডারেশনের আওতায় এই ২৬টি আলাদা গিল্ড আদপে পাপেট, ফেডারেশনের মূল কার্যকরী কমিটির অঙ্গুলিহেলনে ও চাপে তারা এই সমস্ত ভ্রান্ত, আইন বিরুদ্ধ, খাপ পঞ্চায়েত সুলভ অনৈতিক, নিষ্ঠুর সিদ্ধান্ত বলবৎ করতে বাধ্য থাকেন।”

‘দাদাদের আপন দেশে, আইন কানুন সর্বনেশে’, এই শীর্ষক দিয়ে জানানো হয় ফেডারেশন অত্যন্ত জরুরি এক সংগঠন এবং তা ট্রেড ইউনিয়ন। বিনোদন জগতের শিল্পী-কলাকুশলীদের কাজ করে টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তার, কাজের পরিবেশের, সম্মানের ও স্বাস্থ্যের স্বার্থেই এর কাজ। কিন্তু কোনও শিল্পীকে তিন মাস কেন, তিন মিনিটের জন্য সাসপেন্ড করার অধিকার ফেডারেশনের নেই। এর পরও কীভাবে এমন ঘটনা ঘটতে পারে?

বিষয়টিকে ‘বেআইনি’ তকমা দিয়ে ডিরেক্টর্স গিল্ডের বক্তব্য, ‘আমরা সকল সহকর্মীদের কাছে আবেদন রাখছি, আপনারা কে কোন গিল্ডের, কোন সংগঠনের এসব বিচার না করে আসুন, আমরা একসঙ্গে এই অশুভ আতাঁত এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই। আজ না দাঁড়ালে আর কোনওদিনই পারব না। সময় এসেছে টেকনিশিয়ানদের মঙ্গল করার ভনিতার আড়ালে এই বেআইনি কার্যকলাপে লিপ্ত মানুষদের আসল রূপ চিনে নেওয়ার।’ কেশসজ্জা শিল্পীর এই পদক্ষেপের জন্য যাঁরা দায়ি, তাঁদের অপসারণের দাবিও জানানো হয়েছে। সেই সঙ্গে বেআইনি নিয়ম বাতিল করে কর্মক্ষেত্রে ‘তুঘলকী শাসনের অবসান’ চাওয়া হয়েছে। বক্তব্যের একেবারে শেষে লেখা, ‘সমস্ত বিভাগের আলোচনা ও সত্যি অর্থে গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নতুন করে ফেডারেশনের কলেবর বদল করা হোক। চলচ্চিত্র, টেলিভিশন কর্মীদের ওয়েলফেয়ার ও পরিবেশ রক্ষা হোক তাঁদেরই কর্মীদের মাধ্যমে, স্বচ্ছ আইনি ভিত্তিতে, সকলের স্বার্থ দেখে। এই বিষবৃক্ষ উপড়ে ফেলার সময় এসেছে। নতুন বৃক্ষরোপণের সময় এসেছে। সকলে হাত বাড়ান।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.