সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ১১ এপ্রিল, বৃহস্পতিবার সিকম স্কিলস ইউনিভার্সিটি তার দশ বছরের যাত্রা পূর্ণ করতে চলেছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রথম স্কিলস ইউনিভার্সিটি হিসেবে গত ১০ বছর ধরে নিঃশব্দে নিরলস কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষাকে সর্বসাধারণের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার এক অনন্য মাধ্যম হয়ে উঠেছে সিকম স্কিলস ইউনিভার্সিটি।

ইঞ্জিনিয়ারিং, ফার্মাসি, আইনবিদ্যা, কৃষিবিদ্যা, ম্যানেজমেন্ট, বিজ্ঞান, বাণিজ্যবিদ্যা, কলাবিদ্যা ইত্যাদি-সহ আরও অন্যান্য বিভাগে গৌরবের সঙ্গে বিগত দশ বছর ধরে কুড়ি হাজারেরও বেশি ছাত্রছাত্রীকে শিক্ষাপ্রদান করে চলেছে এই বিশ্ববিদ্যালয়। ফ্যাকাল্টিও দক্ষ। স্নাতক, স্নাতকোত্তর এবং গবেষণামূলক শিক্ষায় প্রাজ্ঞ এবং অভিজ্ঞ শিক্ষক-শিক্ষিকা প্রমুখ যুক্ত রয়েছেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকাণ্ডে।

UGC অনুমোদিত এই বিশ্ববিদ্যালয় AICTE, PCI, BCI, NSDC থেকেও অনুমোদন প্রাপ্ত এবং দেশ-বিদেশের বিভিন্ন আন্তর্জাতিকমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে ছাত্রছাত্রীদের আরও উন্নত শিক্ষাপ্রদানের জন্য চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। শিক্ষার পাশাপাশি এই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রছাত্রীদের উপযুক্ত পেশা অন্বেষণে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করে চলেছে। সফলভাবে ২০২০ সাল থেকে বীরভূম জেলার Annual Plan তৈরি করে যাচ্ছে সিকম স্কিলস ইউনিভার্সিটি। শিক্ষাপ্রদানের পাশাপাশি সিকম স্কিলস ইউনিভার্সিটি সমাজকল্যাণ এবং জেলাভিত্তিক গ্রামোন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে।

শুধুমাত্র পুঁথিগত শিক্ষা নয় সমাজের সমস্ত শ্রেণীর মানুষকে হাতেকলমে শিক্ষাপ্রদান করে কর্মপোযুক্ত এবং স্বনির্ভর করে তোলায় বিশেষ ভূমিকা পালন করে এই বিশ্ববিদ্যালয়। শিক্ষান্নোতির ক্ষেত্রে ভারত সরকার ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উদ্দেশ্য ও স্বপ্নকে বাস্তবায়িত করার কারিগর সিকম স্কিলস ইউনিভার্সিটি। বিগত দশ বছরের ন্যায় ভবিষ্যতেও তার কর্মকাণ্ড অব্যাহত রাখবে।

সিকম স্কিলস ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে বিশদ জানতে
ওয়েবসাইট- seacomskillsuniversity.org
ফোন- ৭৮৯০৫০২৪৫১/ ৯৮৩৬২৯৫৩১৫
সর্বশেষ খবর
-
প্রবল বৃষ্টিতে মুম্বইয়ের ধস! ঘুমের মধ্যেই চাপা পড়ে মৃত ২, এখনও ধ্বংসস্তূপে আটকে বহু
-
বেহাল রাস্তা, ভারী বৃষ্টিতে দুর্ভোগ গাড়ি-বাইক চালকদের! সমাধানে ১৮ কোটি বরাদ্দ রাজ্যের
-
শক্তি বাড়িয়ে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণাবর্ত, দুর্যোগে তোলপাড় হবে দক্ষিণবঙ্গ! ভাসবে কলকাতাও?
-
বিলুপ্তপ্রায় লার গিবন পোষ্য! রিলস পোস্ট করতেই বিতর্কে বিক্রম, পড়তে পারেন আইনি জটিলতায়
-
একাই বড় করেছিলেন ৪ সন্তানকে, বাবাকে শেষ দেখার সময় হল না কারও, ফোনেই চাইলেন ডেথ সার্টিফিকেট!