সুমন করাতি, হুগলি: পুলিশ কিংবা সেনাবাহিনীতে চাকরির চেষ্টা করছিলেন। শরীরচর্চা করছিলেন। শরীরচর্চা করে চাষে ব্যবহৃত ডিপ টিউবওয়েলে স্নান করার সময়
অঘটন। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক যুবকের। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকে এই ঘটনা। চোখের জলে ভাসছেন সদ্য স্বজনহারা পরিবারের সদস্যরা।
আকাশ সিংহ, হুগলির তালডাঙা দত্ত কলোনির বাসিন্দা। তিনি স্নাতক। পুলিশ কিংবা সেনাবাহিনীতে চাকরির চেষ্টা করছিলেন। সেই মতো শরীরচর্চাও শুরু করেন। বর্তমানে প্রতিদিন চুঁচুড়া ময়দান অথবা স্টেশন সংলগ্ন ধান্য গবেষণা কেন্দ্রে গিয়ে শরীরচর্চা করতেন। রবিবার সকালে ধান্য গবেষণা কেন্দ্রের ভিতরে শরীরচর্চা করতে গিয়েছিলেন। দৌড়ঝাঁপ সেরে জমিতে থাকা ডিপ টিউবওয়েলে স্নান করতে যান। সেই সময় কোনওভাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কয়েকজন বন্ধুবান্ধব ও স্থানীয়রা। তাঁরাই আকাশকে উদ্ধার করেন। তড়িঘড়ি চুঁচুড়া ইমামবাড়া সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে জানান। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, শর্ট সার্কিট থেকেই এই ঘটনা। আকাশের মৃত্যুতে তালডাঙা দত্ত কলোনিতে নেমেছে শোকের ছায়া।
[আরও পড়ুন: বাইডেনের ইশারাতেই ট্রাম্পের উপর হামলা! বিস্ফোরক দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য]
নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান আকাশ। তাঁর বাবা লক্ষ্মীনারায়ণ সিংহ পেশায় দিনমজুর। পরিবারের একমাত্র রোজগেরে তিনি। মা, ভাই ও বোন নিয়ে সংসার আকাশের। পরিবারের বড় ছেলে তিনি। তাই চাকরি করে বাবাকে আর্থিক সাহায্য করতে চেয়েছিলেন। সংসারের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিতে চাইতেন আকাশ। সে কারণে এক মুহূর্ত সময় নষ্ট না করে চাকরির প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু আচমকা আকাশের মৃত্যুতে শোকে মুষড়ে পড়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা।
[আরও পড়ুন: উপনির্বাচনে পরাজিত কল্যাণকে ‘মিষ্টি’ সান্ত্বনা কুণালের, পাঠালেন হাঁড়িভর্তি মিষ্টান্ন]
সর্বশেষ খবর
-
কঠিন সময়ে অলকাকে বিশেষ বার্তা শানু ও শানের, কী বললেন তাঁরা?
-
ভারতে ঢুকেছিল তিনটি পাকিস্তানি বিমান, এয়ার ইন্ডিয়া বিপত্তির এক সপ্তাহ আগে
-
সারান্ডায় তাড়া খেয়ে বাংলামুখী, ১৪ বছর পর ‘ঘরে’ই আশ্রয় নাকি আত্মসমর্পণ মাওবাদী আকাশের?
-
তারাতলার গুদাম নির্মাণে ‘কুখ্যাত’ আসগর, বিপর্যয়ের বহু আগেই বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল বাম কর্মী ইউনিয়ন
-
‘সিয়া কাছে ছিল, আমার ছেলে ধাক্কা দেয়নি’, দাবি পুণে হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত চেতনের বাবার