Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

ভোটে পাহাড়ের হাওয়া ঘোরাতে পারবেন তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিষ্ণুপ্রসাদ? কী বলছে রাজনৈতিক মহল?

বিষ্ণুপ্রসাদের দলবদলের লাভ পাবে অনীত থাপার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা? তাঁর প্রার্থী হওয়ার নিয়েও জল্পনা তুঙ্গে।

Advertisement
অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়
অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৪:০৯

link
অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়
অভ্রবরণ চট্টোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬, ১৪:০৯

options
link
ভোটে পাহাড়ের হাওয়া ঘোরাতে পারবেন তৃণমূলে যোগ দেওয়া বিষ্ণুপ্রসাদ? কী বলছে রাজনৈতিক মহল? zoom
বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মার দলবদলে কতটা প্রভাব পাহাড়ের রাজনৈতিক সমীকরণে? ফাইল ছবি

বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Assembly Election) মুখে পাহাড়ের রাজনীতিতে ফের নয়া মোড়। কার্শিয়াংয়ের বিজেপি বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা (Bishnu Prasad Sharma) এবার তৃণমূলে যোগদান করায় তৈরি হচ্ছে নতুন সমীকরণ। যদিও এই দলবদলকে গুরুত্ব দিতে নারাজ পাহাড়ের বিজেপি নেতৃত্ব। বহুদিন ধরেই তিনি বিজেপি থেকে বিচ্ছিন্ন, তাই তাঁর দলত্যাগে কোনও ক্ষতি হবে না বলে দাবি তাঁদের। শুধু তাই নয়, দার্জিলিংয়ের বিজেপি সাংসদ রাজু বিস্তা কটাক্ষ করে বলেই দিলেন, ”উনি তো তৃণমূলের মুখপাত্র ছিলেন। ওঁর যাওয়ায় পাহাড়ে কোনও প্রভাব পড়বে না।” আবার অনীত থাপার দল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার দাবি, বিজেপি বিরোধী প্রচারে কাজে লাগবেন বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা।

বৃহস্পতিবার কলকাতার তৃণমূল ভবনে দুই মন্ত্রী শশী পাঁজা ও ব্রাত্য বসুর উপস্থিতিতে বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন কার্শিয়াংয়ের বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা। এরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, পাহাড়ে তাঁর অবস্থান কী হবে তা নিয়ে। অনীত থাপার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার কথায়, কোনও নির্বাচনেই তৃণমূল সরাসরি পাহাড়ে লড়াই করে না। আসন সমঝোতা করে ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার সঙ্গে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনেও প্রথমবার পাহাড়ে ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা প্রার্থী দিতে চলেছে। তাই বিষ্ণুর এই দলবদলকে কেন্দ্র করে তেমন কোনও মাথাব্যাথা নেই বিজেপির।

Advertisement

বৃহস্পতিবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন কার্শিয়াংয়ের বিধায়ক বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মা। এরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, পাহাড়ে তাঁর অবস্থান কী হবে তা নিয়ে। অনীত থাপার ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার কথায়, কোনও নির্বাচনেই তৃণমূল সরাসরি পাহাড়ে লড়াই করে না। আসন সমঝোতা করে ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চার সঙ্গে। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনেও প্রথমবার পাহাড়ে ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা প্রার্থী দিতে চলেছে।

দার্জিলিং জেলার (পাহাড়) বিজেপির সভাপতি কল্যাণ দেওয়ানকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি স্পষ্ট বলেন, “বিধায়ক হিসেবেও তাঁর কোনও ভূমিকা ছিল না। পাহাড়ের রাজনীতিতে কোনও প্রভাবই পড়বে না।” তবে দার্জিলিং জেলার সাংসদ রাজু বিস্তা সরাসরি প্রশ্ন তোলেন বিষ্ণুপ্রসাদের ভূমিকা নিয়ে। তিনি বলেন, “দলের বিধায়ক হয়েও তৃণমূল মুখপাত্রের কাজ করছিলেন। যে ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে লোকসভা নির্বাচনে দাঁড়িয়ে নোটার থেকেও কম ভোট পেয়েছিলেন, তাঁর তৃণমূলে যাওয়া কোনও প্রভাবই ফেলবে না। প্রশ্নই উঠে না৷”

এদিকে, বিষ্ণুপ্রসাদের যোগদান তৃণমূলের মাথাব্যাথার কারণ না হয়ে দাঁড়ায়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা। দলের মুখপাত্র শক্তি প্রসাদ শর্মা বলেন, “আগে ও বিজেপির মাথাব্যাথার কারণ ছিল। এখন তৃণমূলের মাথাব্যাথার কারণ না হয়ে দাঁড়ায়। তবে তৃণমূলের সঙ্গে আমাদের আসন সমঝোতা রয়েছে। কাজেই কার্শিয়াংয়ের প্রার্থী তো কোনও প্রকারেই নয়। হয়ত সমতলে তৃণমূল কংগ্রেস তাঁকে কাজে লাগাতে পারে। কিন্তু খুব একটা প্রভাব পড়বে বলে আমাদের মনে হয় না। তবে বিজেপি বিরোধী প্রচারে কাজে লাগতে পারে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.