Advertisement
Advertisement
West Bengal Assembly Election

‘আগে আন্ডারপাস করুন,’ জনসংযোগে বেরিয়ে ক্ষোভের মুখে দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক

শনিবার সকালেই দুর্গাপুরের ফরিদপুর এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির পত্র বিলি কর্মসূচি করছিলেন লক্ষণ ঘড়ুই। তিনি এলাকার মানুষদের হাতে কেন্দ্রীয় সরকারের উন্নয়নের পত্র তুলে দিচ্ছিলেন। আর সেই সময় স্থানীয় মানুষজনের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় বিজেপি বিধায়ককে।

Advertisement
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ২২:১১

link
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়
সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২১, ২০২৬, ২২:১১

options
link
‘আগে আন্ডারপাস করুন,’ জনসংযোগে বেরিয়ে ক্ষোভের মুখে দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক zoom
জনসংযোগে বেরিয়ে মানুষের ক্ষোভের মুখে বিজেপি বিধায়ক।

আগে আন্ডারপাস করুন তারপর হাত মেলাবো। বিধানসভা ভোটের মুখে জনসংযোগে বেরিয়ে মানুষের ক্ষোভের মুখে বিজেপি বিধায়ক! হাত মেলাতে গিয়ে বিজেপি বিধায়ককে মুখের উপর সপাটে জবাব এলাকার মানুষদের। এমনকী মেলালেন না হাতও। আগে আন্ডারপাস করুন তবেই হাত মেলাবো, জনসংযোগে গিয়ে ক্ষোভের মুখে বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুই। মানুষের কাজ যে উনি করেননি তা প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে, কটাক্ষ মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের। 

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের ঘণ্টা এখনও বাজেনি। কিন্তু ঘন্টা বাঁধার কাজ শুরু করে দিয়েছে সমস্ত রাজনৈতিক দল। নিজ নিজ বিধানসভা এলাকায় জনসংযোগে জোর দিতেও শুরু করেছেন বিধায়করা। নেমে পড়েছেন দুর্গাপুর পশ্চিমের বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘড়ুইও। তিনি তাঁর বিধানসভা এলাকা দুর্গাপুর পশ্চিমের বিভিন্ন প্রান্তে নিয়মিত প্রচারে যাচ্ছেন দলের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে। শনিবার সকালেই দুর্গাপুরের ফরিদপুর এলাকায় প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির পত্র বিলি কর্মসূচি করছিলেন লক্ষণ ঘড়ুই। তিনি এলাকার মানুষদের হাতে কেন্দ্রীয় সরকারের উন্নয়নের পত্র তুলে দিচ্ছিলেন। এলাকার মানুষদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে জনসংযোগ করছিলেন। আর সেই সময় স্থানীয় মানুষজনের ক্ষোভের মুখে পড়তে হয় বিজেপি বিধায়ককে।

Advertisement

এলাকার মানুষরা বলেন, “ফরিদপুর এলাকার পাশ হয়েই চলে গেছে ১৯ নম্বর জাতীয় সড়ক। আর গ্রামের মানুষকে যাতায়াত করতে হয় দুই কিলোমিটার ঘুরে। নেই কোন আন্ডার পাস। তাই দুর্ঘটনার মুখেও পড়তে হয় এলাকার বাসিন্দাদের। একাধিকবার চিঠি করা হয়েছে একাধিকবার আন্ডারপাস করার দাবি তোলা হয়েছে কিন্তু কোন কাজ হয়নি।” তখনই বিধায়কের পাশ থেকে বিজেপির এক কর্মী বলে ওঠেন, “আপনারা আবেদন করুন।” পাল্টা এলাকার মানুষজন অভিযোগ করেন,” আপনারা কি করছেন তাহলে? আপনারা জানাননি কেন?” তারপরেই ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দা স্বপন কুমার ঘোষ বিধায়ককে বলেন, “আগে আন্ডারপাস করার কথা বলুন তারপর হাত মেলাবো।” এই নিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ধরে বিধায়কের সাথে চলে বাদানুবাদ।

যা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তৃণমূল। রাজ্যের পঞ্চায়েত গ্রামোন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, “সাড়ে চার বছরে যে কিছুই কাজ করেননি লক্ষণবাবু তা আবারও প্রমাণ হল। কারণ জাতীয় সড়ক হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের। সেইখানে সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে আন্ডারপাস করে দিতে পারেননি তিনি। মানুষ বুঝতে পারছে তাই প্রতিবাদ করছে।” যদিও বিজেপি বিধায়ক লক্ষণ ঘরুই পাল্টা বলেন,”আমি প্রত্যেকটি এলাকায় এলাকায় গিয়েছি। আমার নিজের টাকা থেকে উন্নয়নের কাজ করেছি। দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক যাদের সার্টিফিকেট দেননি তাদেরকেও সার্টিফিকেট দিয়েছি। ২০২৬-এ বিজেপি আসছে। মানুষ আমাদের পাশে রয়েছে।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.