Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Dakshin Dinajpur

আত্রেয়ী, ইছামতীতে বইছে কালো জল! প্রবল উদ্বেগে দক্ষিণ দিনাজপুরবাসী

বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করা এই নদীতে আবর্জনা ফেলা হচ্ছে বলে অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৪, ২০:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০২৪, ২০:৩৪

options
link
আত্রেয়ী, ইছামতীতে বইছে কালো জল! প্রবল উদ্বেগে দক্ষিণ দিনাজপুরবাসী zoom

রাজা দাস, বালুরঘাট: বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ দিনাজপুরে প্রবেশ করা একাধিক নদীতে বইছে কালো জল। ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বাভাবিকভাবেই উদ্বিগ্ন মৎসজীবী থেকে সাধারণ মানুষ। দ্রুত এ বিষয়ে সরকারি পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন সকলে।

আত্রেয়ী, ইছামতী, পূনর্ভবা, টাঙন- এই চার নদী বাংলাদেশ হয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে। বয়ে গিয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের উপর দিয়ে। যে কারণে এই নদীগুলোকে আন্তঃসীমান্ত নদী বলা হয়ে থাকে। এজেলায় আত্রেয়ী এবং ইছামতী নদী এবং তাদের খাঁড়ির জল বহু জায়গায় কালো হয়ে বইছে বলে দাবি। দুর্গন্ধ ও কালো জল স্নানেরও অযোগ্য হয়ে পড়েছে। মৎস্যজীবীরা মাছ ধরতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন। কাশিয়াখাড়ি ও চকহরিণার বাসিন্দা অমল রায়, সুদেব প্রামানিকদের কথায়, আত্রেয়ী-সহ বেশ কয়েকটি নদী বাংলাদেশ থেকে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় প্রবেশ করেছে। বাংলাদেশের যাবতীয় আবর্জনা এই নদীর জলে ফেলা হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। যার ফলে জল কালো ও দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে গিয়েছে। স্নান করলে চর্মরোগ দেখা দিচ্ছে। স্থানীয় মৎস্যজীবীরাও জাল ফেলে মাছ পাচ্ছেন না।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘বিয়ে পাগলা বুড়ো’! পাকিস্তানে ১২ বছরের মেয়েকে বিয়ে করতে গিয়ে গ্রেপ্তার ৭২-এর বৃদ্ধ]

এদিকে ঘটনার খবর জানতে পেরে নদী ও তার খাঁড়িগুলিতে যাচ্ছেন পরিবেশ কর্মীরা। তারা জলের নমুনা সংগ্রহ শুরু করেছেন। যা পরীক্ষা করা হবে। এ বিষয়ে পরিবেশকর্মী বিশ্বজিৎ বসাক বলেন, এত দুর্গন্ধযুক্ত জল আমরা আত্রেয়ীতে আগে দেখিনি। স্থানীয়দের মতো তাঁদের মধ্যেও আশঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। কোনওপ্রকার কেমিক্যাল বা বর্জ্য এই নদী দুটোতে ফেলা হচ্ছে বাংলাদেশের তরফে। যার জন্যই জল দূষিত হয়ে পড়েছে। বিশ্বজিৎবাবু জানান, মৎস্যদপ্তরের সঙ্গে তারা এর আগে নদী নিয়ে কাজ করেছেন। জল পরীক্ষার কিছু দ্রব্য তাদের কাছে আছে। তা দিয়ে জলের পিএইচ মাত্রা পরীক্ষা করা হবে। এর পর সেটি নিয়ে তারা মৎস্যবিভাগ থেকে শুরু করে জেলা প্রশাসনকে দেবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.