সুবীর দাস, কল্যাণী: ক্রমেই এগিয়ে আসছে ভোট। শেষ লগ্নের প্রচারে ব্যস্ত সব দল। সকলেরই একটাই প্রচেষ্টা, কীভাবে প্রচারে প্রতিপক্ষকে টেক্কা দেওয়া যায়। তাই প্রচারেও নতুনত্ব আনতে চাইছে রাজনৈতিক দলগুলি। সেই নির্দশনই মিলল সোমবার। এদিন জলপথে রানাঘাট ও বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রে প্রচার সারল তৃণমূল নেতৃত্ব।
ইতিমধ্যেই প্রথম দফার নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। সামনেই রাজ্যের অন্যান্য লোকসভা কেন্দ্রগুলির নির্বাচন। তার আগে জোরকদম প্রচারে ব্যস্ত রাজনৈতিক দলগুলি। জোড়া ফুল হোক বা পদ্ম, সব শিবিরের লক্ষ্যই হাতে বাকি থাকা অল্প সময়ের মধ্যেই প্রচুর সংখ্যক মানুষের কাছে পৌঁছানো অর্থাৎ জনসংযোগ। আর সেই কারণে প্রচারে নতুনত্বকেই হাতিয়ার করতে চাইছে সব দল। আর তাই সোমবার সকালে তৃণমূলের পতাকা, নীল সাদা বেলুন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ট্যাবলোর দিয়ে সাজানো নৌকায় প্রচার শুরু করে তৃণমূল। ‘পদ নয় পতাকা, সব কেন্দ্রেই মমতা’, এই এই স্লোগানকে সামনে রেখেই এদিন প্রচার চালায় তৃণমূল শিবির। সেখানে উপস্থিত ছিলেন রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী রূপালী বিশ্বাস, যুব নেতা সৌমিত্র ভট্টাচার্য-সহ তৃণমূলের অন্যন্য নেতা কর্মীরা। চারটি নৌকো নিয়ে প্রচারে বের হন তৃণমূল শিবির।
এদিন প্রথমে নদিয়ার রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত গৌরনগর ঘাট থেকে মুকুন্দঘাট পর্যন্ত প্রচার করেন তাঁরা। এরপর নদীপথে বনগাঁ লোকসভা কেন্দ্রে পৌঁছান তাঁরা। সেখানে বনগাঁর চাঁদউড়িয়া-২ নম্বর থেকে মালোপাড়া পর্যন্ত পায়ে হেঁটেও প্রচার করেন তৃণমূলের কর্মী সমর্থকরা। এরপর ফের মোটরচালিত নৌকায় গৌরনগর ঘাটে ফেরেন তাঁরা। এদিনও ৪২ টি আসনে জয়ের বিষয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসীই ছিল তৃণমূল শিবির। তবে তৃণমূলের জলপথে জনসংযোগের প্রভাব কতটা ভোটবাক্সে পড়বে, তা বোঝা যাবে মাস খানেক পরই৷
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
Copyright © 2025 Sangbad Pratidin Digital Pvt. Ltd. All rights reserved.