Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Aparna Sen

অপর্ণা মাসিরা সব গুলিয়ে দিচ্ছেন! জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে দাঁড়ানোয় অভিনেত্রীকে ‘বেনজির’ আক্রমণ কল্যাণের

ডোরিনা ক্রসিংয়ের ধরনা মঞ্চে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী-পরিচালক অর্পণা সেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৪, ২২:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১৪, ২০২৪, ২২:৩৭

options
link
অপর্ণা মাসিরা সব গুলিয়ে দিচ্ছেন! জুনিয়র ডাক্তারদের পাশে দাঁড়ানোয় অভিনেত্রীকে ‘বেনজির’ আক্রমণ কল্যাণের zoom

সুমন করাতি, হুগলি: ফের জুনিয়র ডাক্তারদের নিশানা করলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে আক্রমণ শানালেন ডোরিনা ক্রসিংয়ের ধরনা মঞ্চে যাওয়া অভিনেত্রী-পরিচালক অর্পণা সেনের বিরুদ্ধেও। শ্রীরামপুরের সাংসদের খোঁচা, “অপর্ণা মাসিরা মনে করে তাঁরা মমতাকে গদিতে বসিয়েছেন,মমতার কোনও দাম নেই।” এর পাশাপাশি জুনিয়র ডাক্তাররা ভুলপথে চালিত হচ্ছেন বলেও দাবি করেছেন সাংসদ। 

সোমবার শ্রীরামপুর পুজোর কার্নিভালে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি বলেন, “অপর্ণা মাসিদের মতো মহিলারা এমন ভাব দেখাচ্ছে, যেন ওঁদের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গদিতে এসেছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও ক্যালিবার নেই। এমন দু একজন বলছে যেন ওরা খেটেখুটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে এসেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কোনও দামই ছিল না। অপর্ণা মাসিরা সব গুলিয়ে দিচ্ছে। আর তো দিদি নেই, মাসি হয়েছে, এটুকু তো বুঝতে চেষ্টা করুক।” আর জি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে ১০ দফা দাবিতে গত ৫ অক্টোবর থেকে ধর্মতলায় আমরণ অনশনে বসেন ছয় জুনিয়র ডাক্তার। তাঁদের সমর্থন করে অনশন মঞ্চে গিয়েছিলেন অপর্ণা সেন। আন্দোলনকারী-রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে চেয়ে নবান্নে চিঠিও দেন। তার পরই তাঁকে নিশানা করলেন তৃণমূলেরও সাংসদ।

Advertisement

আমরণ অনশনকে রিলে অনশন বলেও কটাক্ষ করেন কল্যাণ। চিকিৎসকদের অনশন প্রসঙ্গে বলেন, “এটা আমরন অনশন নয়, রিলে অনয়ন। বলেছিল আমরন অনশন> এখন হচ্ছে ফাস্টিং আপ টু হসপিটালাইজেশান। কালকে একজন অনশনে বসছে, আজকে চলে যাচ্ছে। এটা রিলে অনশন। কোনও কোনও গায়িকাকে ভাড়া করে নিয়ে আসছে একটু গান-টান গাইবে।” তাঁর দাবি, “ডাক্তারগুলো বাচ্চা ছেলে। ওদের একটু সুপথে চালিত করতে পারত। কিন্তু কয়েকটা মাথা আছে শয়তানি বুদ্ধি আছে, ওরাই এই বাচ্চা গুলোকে নষ্ট করছে।” শেষে তাঁর খোঁচা, “আদিখ্যেতার সীমা আছে!”

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.