Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৬ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৪ আগস্ট ২০২৬
Maldah

ঠিক যেন সিনেমা! মাঝরাতে পুলিশ-দুষ্কৃতী লড়াই, মালদহের ভূতনির চরে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র

ভূতনি চরের হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও সোনার দোকান রয়েছে। সেখানে ডাকাতির উদ্দেশে দুষ্কৃতীরা চড়াও হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৪, ১৮:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৭, ২০২৪, ১৮:১০

options
link
ঠিক যেন সিনেমা! মাঝরাতে পুলিশ-দুষ্কৃতী লড়াই, মালদহের ভূতনির চরে উদ্ধার আগ্নেয়াস্ত্র zoom
Advertisement

বাবুল হক, মালদহ: মাঝরাতে মালদহের (Maldah) ভূতনি চরের গ্রামে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে দুষ্কৃতীদের অবাধ বিচরণ। সেইসঙ্গে শূন্যে গুলিচালনা। রাস্তার ধারের একটি বহুতলের সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়া সেই ছবি সোশাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে মালদহের এই এলাকায়। যদিও ভাইরাল সেই ছবির সত্যতা যাচাই করেনি ‘সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল’। সোমবার এই বিষয়ে মালদহ জেলা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ভূতনি চরের গ্রামে ডাকাতির উদ্দেশেই দুষ্কৃতীরা এসেছিল বিহার সীমানা পেরিয়ে। রাতের টহলদারি পুলিশের তাড়া খেয়ে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়। পালানোর সময় দুষ্কৃতীরা একটি মোটরবাইক, পাইপগান ও কার্তুজ-সহ কিছু অস্ত্র ঝোপ জঙ্গলে ফেলে গিয়েছে। সেগুলি পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে। দুষ্কৃতীদের খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

ঝোপ থেকে উদ্ধার অস্ত্রশস্ত্র। নিজস্ব চিত্র।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভূতনি চরের হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার হরচন্দ্রপুর গ্রামের রাস্তায় রবিবার রাতে দুষ্কৃতীরা তাণ্ডব চালিয়েছে। সেখানে একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও সোনার দোকান রয়েছে। ব্যাঙ্ক ও সোনার দোকানের সামনে দুষ্কৃতীরা শূন্যে অন্তত পাঁচ রাউন্ড গুলি চালায় বলে দাবি বাসিন্দাদের। যদিও দুই থেকে তিন রাউন্ড গুলি চলেছে বলে জেলা পুলিশ সূত্র স্বীকার করেছে। ভাইরাল সেই ভিডিওয় (Viral video)দেখা যাচ্ছে, অন্তত আট থেকে দশ জন দুষ্কৃতী চাদর গায়ে জড়িয়ে মুখ ঢেকে রাস্তায় দলবেঁধে ঘোরাফেরা করছে। ব্যাঙ্ক ও সোনার দোকানের সামনেই তাদের অবাধ বিচরণ। অধিকাংশের পরনে ফুলপ্যান্ট। ব্যাঙ্ক ও সোনার দোকানের সামনে গুলি ছুঁড়ছে। গুলিগোলার (Shootout) শব্দে আতঙ্কিত গ্রামবাসীরা সেই সময় বাড়ি থেকে বের হতে পারেননি। পরে ওই এলাকায় পৌঁছয় ভূতনি থানার পুলিশ। এলাকায় তল্লাশি চালানো শুরু করা হয়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: রেমালে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে রাজ্য, বিশেষ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর]

এই ঘটনার পর আতঙ্কের প্রহর গুনছেন বাসিন্দারা। অনেকেই বলেন, “ভয়ঙ্কর ঘটনা। দুষ্কৃতীরা বড়সড় কিছু ঘটানোর উদ্দেশেই গ্রামে ঢুকেছিল। কোনও কারণে ফিরে গিয়েছে।” স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি ব্যাঙ্কের সামনে প্রথম শূন্যে গুলি চালানো হয়। তার পর একটি সোনার দোকানের সামনে চলে দৌরাত্ম্য, শূন্যে গুলিও। বেপরোয়া গুলি চালানো হয়। সেই সময় বাসিন্দাদের কেউ ফোনে বিষয়টি ভূতনি থানায় জানান। তবে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছনোর আগেই অস্ত্র উঁচিয়ে এলাকা থেকে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। যে কোনও সময় বড়সড় ডাকাতি বা লুটপাটের আশঙ্কা করছেন বাসিন্দারা।

[আরও পড়ুন: আরও বাড়ল গরমের ছুটি, কবে খুলবে স্কুল?]

মালদহ জেলা পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, রাত পৌনে নাগাদ ভূতনি চরের হীরানন্দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের হরচন্দ্রপুরে একটি ব্যাঙ্কের সামনে মোতায়েন থাকা সিভিক ভলান্টিয়ার জানতে পারেন, ৭-৮ জন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। যেখানে একটি পিএনবি এবং দুটি ছোট আকারের গয়নার দোকান রয়েছে। সেখানে ২-৩ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে। এই খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে যায় রাতে টহলরত পুলিশ। ব্যাঙ্কের সামনে জড়ো হওয়া দুষ্কৃতীদের ধাওয়া করে পুলিশ। কিন্তু দুষ্কৃতীরা জঙ্গলের ভিতর দিয়ে পালিয়ে যায়। ঝোপের মধ্য থেকে দুষ্কৃতীদের ফেলে যাওয়া একটি মোটরবাইক, চারটি ব্যাটারি ও বৈদ্যুতিক ট্রিগার লাগানো একটি পাইপগান, বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে সংযুক্ত ১৫টি তাজা কার্তুজ এবং বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে সংযুক্ত ব্যবহার করা ৮টি কার্তুজ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় ভূতনি থানায় একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দুষ্কৃতীদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.