Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৯ আগস্ট ২০২৬
Sukanta Majumdar

পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সৌগত! ‘ঘোমটার নিচে খ্যামটা নাচন আর নয়’, পালটা কটাক্ষ সুকান্তর

অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যের বেকারত্ব ও আর জি কর কাণ্ড নিয়ে ফের সরব বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০২৪, ১৬:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৯, ২০২৪, ১৬:৩৮

options
link
পুলিশের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ সৌগত! ‘ঘোমটার নিচে খ্যামটা নাচন আর নয়’, পালটা কটাক্ষ সুকান্তর zoom
Advertisement

অর্ণব দাস, বারাকপুর: ফিরহাদ হাকিমের পর বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায় (Saugata Roy)। কসবায় তৃণমূল কাউন্সিলর খুনের চেষ্টার পর শহরের নিরাপত্তা ও বেআইনি অস্ত্র ঢোকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। সৌগত বলেন, “শহরে পিস্তল ঢুকছে, পুলিশ ধরতে পারে না।” সেই মন্তব্যের পালটা দিয়ে বরানগরের একটি অনুষ্ঠানে সৌগত ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিঁধলেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী তথা রাজ্য বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “পুলিশমন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করুন।”

সুশান্ত ঘোষকে খুনের চেষ্টা ও ভাটপাড়ায় তৃণমূলের প্রাক্তন ওয়ার্ড সভাপতিকে খুনের ঘটনায় চাপে রাজ্যের শাসকদল। অপরাধ ও রাজ্যে অস্ত্রের প্রবেশ রোখা নিয়ে প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা। সেই আবহে ফিরহাদ ও সৌগত মুখ খোলায় চাপ সৃষ্টি হয়েছে দলের অন্দরে। স্বাভাবিকভাবেই সেই সুযোগ হাতছাড়া করতে চায়নি বিজেপি। রবিবার সৌগতের মন্তব্যকে হাতিয়ার করেন সুকান্ত। বরানগর সিটিজেন ফোরামের আয়োজিত বিজয়া সম্মিলনী অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী বলেন, “ঘোমটার নিচে খ্যামটা নাচন আর নয়। উনি পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। কিন্তু প্রশ্নটা যদি তুলতে হয় তাহলে পুলিশমন্ত্রীর উপর তুলুন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশ্ন করুন।”

Advertisement

অনুষ্ঠানে আর জি কর কাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে আনেন তিনি। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, “রাজা যদি উলঙ্গ হয়, নির্লজ্জ হয় তাহলে প্রজারা সুখে থাকতে পারে না। এই মমতাময়ীর তাড়নায় একজন ডাক্তারের প্রাণ চলে গেল।” অনুষ্ঠান থেকে রাজ্যের বেকারত্ব নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি, “পড়াশোনা করে এখন বাংলাতে চাকরি পাওয়া যায় না। বিষাক্ত মদ খেয়ে মারা গেলে তবে পরিবারের লোকেরা চাকরি পান। এটাকেই সম্ভবত বলে এগিয়ে বাংলা।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.