Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Suri BJP allegedly selling election tickets

Panchayat Vote 2023: টাকার বিনিময়ে দলীয় টিকিট ‘বিক্রি’, জেলা বিজেপি কার্যালয়ে ধুন্ধুমার

প্রতীক না পেয়ে নির্দল প্রার্থী হিসাবে লড়ছেন বিজেপি কর্মী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০২৩, ১৪:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০২৩, ১৪:৩৪

options
link
Panchayat Vote 2023: টাকার বিনিময়ে দলীয় টিকিট ‘বিক্রি’, জেলা বিজেপি কার্যালয়ে ধুন্ধুমার zoom
Advertisement

নন্দন দত্ত, বীরভূম: টাকা নিয়ে দলীয় টিকিট বিক্রি করা হয়েছে, অভিযোগে বিজেপির জেলা দলীয় কার্যালয়ে ধুন্ধুমার। বিজেপি প্রার্থী গোরাচাঁদ দাস কর্মীদের সামনেই দলের জেলা সাধারণ সম্পাদক শ্যামসুন্দর গড়াইয়ের উপর চড়াও হন। প্রতীক না পেয়ে গোরাচাঁদবাবু সিউড়ি ১ নম্বর ব্লকের ১৩ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির আসনে নির্দল প্রার্থী হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। একই অভিযোগ ওই মণ্ডলের বিজেপি সহ সভাপতি দীপালি সাঁতরা পালের।

তিনি জানান, নির্দল হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে দলের প্রার্থীকেই তিনি পরাজিত করবেন। যদিও গোরাচাঁদবাবু নির্দল হলেও বিজেপির প্রার্থীর হয়ে প্রচারে যাবেন বলে জানান। তবে তিনি স্বীকার করেন মঙ্গলবার রাতে তিনি টিকিট না পেয়ে উত্তেজিত হয়ে শ্যামসুন্দর গড়াইয়ের উপর চড়াও হন। কিন্তু সব গণ্ডগোলের জন্য শ্যামসুন্দর গড়াই দায়ী বলে দাবি করেন কড়িধ্যার শহর মণ্ডল সভাপতি উদয় হাজরা। তিনি জানান, সংগঠন শেষ করছেন শ্যামসুন্দর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আর মাত্র ৩০ ঘণ্টার অক্সিজেন মজুত নিখোঁজ টাইটানে! আশা জাগাচ্ছে প্রাণের লক্ষণ]

কড়িধ্যা ১৩ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির আসনে সাত মাস আগে থেকেই গোরাচাঁদকে প্রার্থী করার পরিকল্পনা করা হয়। মনোনয়ন জমা দিয়ে গোরাচাঁদবাবু দেওঘরে আত্মগোপন করেছিলেন। সেখান থেকেই দলের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তাঁকেই প্রতীক দেওয়া হবে বলে জানান হয়। মনোনয়ন প্রত্যাহারের পর সিউড়ি ফিরে সন্ধেয় দেখেন, তাঁর আসনে রাজীব চট্টোপাধ্যায় নামে সদ্য তৃণমূল থেকে বিজেপিতে আসা সদস্যকে টিকিট দেওয়া হয়েছে। বিজেপি দলীয় কর্মীদের দাবি, শ্যামসুন্দর গড়াইকে তারপরই উত্তম মধ্যম দেন গোরাচাঁদ।

শ্যামসুন্দর জানান, তিনি রাজনগর ব্লকের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি মনে করেন, গোরাচাঁদবাবু দীর্ঘদিনের কার্যকর্তা। তাঁরই টিকিট পাওয়া উচিত ছিল। কেন এমন হল দল দেখুক। গোরাচাঁদবাবু জানান, “খুব উত্তেজিত ছিলাম। কি করেছি মনে নেই। তবে মাথা গরম হয়েছিল তখনই যখন প্রতীক বন্টনের পরেও শ্যামসুন্দর আমাকে জানায় নির্দলে তিনি আমার হয়ে ভোট করবেন এই প্রতিশ্রুতি দেওয়ায়।”

যদিও প্রতীক বিলির দায়িত্বে ছিলেন জেলা সহ সভাপতি দীপক দাসের উপর। তিনি জানান, রাজীব সদ্য বিদায়ী পঞ্চায়েত সমিতির পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ। দু’জনেই তৃণমূল থেকে দলে যোগ দিয়েছে। তাছাড়া দলের নিয়মে মণ্ডল কমিটি পঞ্চায়েত সমিতিতে যে প্রার্থীর নাম দেবে সেই পাবে প্রতীক। এ প্রসঙ্গে শ্যামসুন্দর বা জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা কিছু জানেন না। ধ্রুব সাহা জানান, তিনি রামপুরহাটের দায়িত্বে ছিলেন। কি হয়েছে না জেনে বলতে পারবেন না। তবে শ্যামসুন্দর দলের কাছে এই ঘটনার তদন্ত দাবি করবেন। দোষী হলে তাঁকে বহিষ্কারের শর্ত দেবেন।

[আরও পড়ুন: টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে গিয়ে নিখোঁজ পাক ধনকুবের দাউদ! বাড়ছে উদ্বেগ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.