Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
CPM

দলের অন্দরের ভোটাভুটিতেও পরাজিত সিপিএমের বিদায়ী জেলা সম্পাদক, কর্মীদের নিশানায় নেতৃত্ব!

সম্পাদক নির্বাচন করতে বুধবার আলিমুদ্দিনেই ডাকা হয়েছে বৈঠক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৫, ২০:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৫, ২০:৫৯

options
link
দলের অন্দরের ভোটাভুটিতেও পরাজিত সিপিএমের বিদায়ী জেলা সম্পাদক, কর্মীদের নিশানায় নেতৃত্ব! zoom

অর্ণব দাস, বারাসত: মৃণাল চক্রবর্তীকেই তৃতীয়বারের জন্য উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সিপিএমের সম্পাদক করতে চেয়েছিল দল। তা নিয়ে জটিলতাও তৈরি হয়েছিল। ভোটাভুটি না করার চেষ্টাও করা হয়েছিল। কিন্তু জেলা কমিটির ভোটাভুটিতে পরাজিত উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সিপিএমের বিদায়ী সম্পাদক মৃণাল চক্রবর্তী। ফলে আলিমুদ্দিনের যে মুখ পুড়েছে তা বলাই বাহুল্য। শেষে সম্পাদক নির্বাচন করতে বুধবার আলিমুদ্দিনেই ডাকা হল জেলার প্রথম বৈঠক ডাকা হল।

বিদায়ী জেলা সিপিএমের কমিটিতে ৭০জন সদস্য থাকলেও বিস্তর মতনৈক্যের মধ্যে ঠিক হয় চলতি কমিটিতে সদস্য হবেন ৭৫ জন। সত্তর ঊর্ধ্ব বয়স হওয়ার জন্য বিদায়ী কমিটির ১০ জনের নাম বাদ পড়ে। এরপর জেলা কমিটি এবং সম্পাদক মণ্ডলীর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নতুন ১৪জনের নাম মিলিয়ে মোট ৭৪জনের কমিটি হবে বলে ঠিক হয়। পরবর্তীতে খড়দহ থেকে একজনকে জেলা কমিটিতে নেওয়া হবে জানিয়ে একটি জায়গা ফাঁকা রাখা হয়। এখানেই বাদ পড়েন সাসপেন্ডেড তন্ময় ভট্টাচার্য। পালটা, উপস্থিত ৪৯৬ জন প্রতিনিধির মধ্যে একে একে ২৯ জন প্রতিনিধির নাম কমিটিতে নেওয়ার জন্য জমা পড়তে থাকে। কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা শত বুঝিয়েও কাজ না হলে শেষে কমিটি থেকে নিজের নাম প্রত্যাহার করেন প্রাক্তন বিধায়ক মানস মুখোপাধ্যায়। এরপরই মানস মুখোপাধ্যায়কে জেলা কমিটিতে থাকার অনুরোধ জানিয়ে একে একে ২৭ জন প্রতিনিধি নিজেদের প্রার্থী পদ থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন। যদিও মধ্যমগ্রামে সনৎ বিশ্বাস এবং রাজারহাট নিউটাউনের সৌমেন চক্রবর্তী নিজেদের নাম প্রত্যাহার না করায় এদিন বারাসত জেলা সিপিএম কার্যালয়ে ভোটে হবে বলে ঠিক হয়।

Advertisement

সেইমত রবিবার ৪৮১জন প্রতিনিধি ভোটে অংশগ্রহণ করেন। দুবারের জেলা সম্পাদকই সব থেকে কম ভোট পেয়েছেন। তাঁর বদলে জেলা কমিটিতে জায়গা করে নিয়েছেন সনৎ বিশ্বাস। বিষয়টি জানাজানি হতেই নেতা কর্মীরা ফের লোকসভা বিধানসভা নির্বাচনে হারের তুলনা টেনে নেতৃত্বদের দূরদর্শিতার অভাবকেই দোষ দিয়ে বলতে শুরু করেছে, যারা পার্টি সদস্যদের মত বোঝে না তাঁরা মানুষের মন বুঝবে কী করে। আর এই কারণেই নব নির্বাচিত জেলা কমিটির সম্পাদক নিবার্চনেও ভোটাভুটি একপ্রকার প্রায় নিশ্চিত। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক জেলা কমিটির সদস্য বলেন, “মৃণাল চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে এদিন ঐক্যবদ্ধ হয়ে সকলে ভোট দিয়েছে। কিন্তু বুধবার তো হবে পলাশ দাস, সোমনাথ ভট্টাচার্যের লড়াই। এই দুই গোষ্ঠীর লড়াইয়ের মাঝে আবার মানস মুখোপাধ্যায়ের নাম উঠে আসলেও কেউ অবাক হবে না।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.