Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৩১ আগস্ট ২০২৬
khanakul

জাল আধার-ভোটার তৈরির কারখানা! পুলিশের জালে পাসপোর্ট চক্রের ‘মাস্টারমাইন্ড’

একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৫, ১৮:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৭, ২০২৫, ১৮:২৩

options
link
জাল আধার-ভোটার তৈরির কারখানা! পুলিশের জালে পাসপোর্ট চক্রের ‘মাস্টারমাইন্ড’ zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

অর্ক দে, বর্ধমান: এবার জাল নথিতে পাসপোর্ট তৈরি চক্রের মাস্টার মাইন্ড গ্রেপ্তার! হুগলির খানাকুল থেকে সোমবার রাতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে খবর। এর আগে জাল নথিতে পাসপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রে বর্ধমান পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছিল। তাঁদের জেরা করেই এই ব্যক্তির সন্ধান পাওয়া যায়। ধৃত ব্যক্তির নাম ভাস্কর সামন্ত। একাধিক সামগ্রী তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে বলে খবর।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাতে বর্ধমান জেলা পুলিশের একটি দল হুগলির খানাকুলে হানা দেয়। ভাস্কর সামন্ত নামে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে তল্লাশি চালানো হয়। বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয়েছে  দুটি ল্যাপটপ, দুটি মোবাইল ফোন, একটি বায়োমেট্রিক ডিভাইস। এছাড়াও একাধিক নথি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। সেগুলি আসল নাকি জাল, সেসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দিন কয়েক আগে বর্ধমানে জাল নথিতে পাসপোর্ট তৈরি চক্রের সন্ধান পাওয়া যায়। পুলিশ তদন্তে নেমে গণেশ চক্রবর্তী ও অনির্বাণ সামন্ত নামে দুই ব্যক্তিকে হুগলির সিঙ্গুর থেকে গ্রেপ্তার করে। তাঁদের নিজেদের হেপাজতে নিয়ে জেরা শুরু হয়। তাতেই এই ব্যক্তির নাম বেরিয়ে আসে।

Advertisement

জাল নথি বানিয়ে আসল পাসপোর্ট তৈরির কাজ চলত। সম্প্রতি পাসপোর্ট ভেরিফিকেশনের জন্য পুলিশ নথি পরীক্ষা করতে গেলে সেই ঘটনা সামনে আসে। সেই ব্যক্তিকে জেরা করতে গণেশ চক্রবর্তী ও অনির্বাণ সামন্তর কথা বেরিয়ে আসে। একাধিক জেলা ধরে এই চক্র চলছিল বলে পুলিশ মনে করছে। মোটা টাকায় নথি বিক্রি হত বলে মনে করা হচ্ছে। আরও একাধিক ব্যক্তি এই চক্রে জড়িত আছেন বলে অনুমান করা হচ্ছে। ধৃতকে রাতেই খানাকুল থেকে বর্ধমানে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিক তাঁকে আদালতে তোলা হয়েছিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.