সুমন করাতি, হুগলি: আরামবাগের প্রার্থী মিতালী বাগের নির্বাচনী প্রচার মঞ্চ থেকে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অথচ সেই সভারই আগে প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দল। দলনেত্রীর সভায় উঠতেই দেওয়া হল না বিদায়ী সাংসদ অপরূপা পোদ্দারকে(Aparupa Poddar)। শ্রীরামপুরের বিদায়ী সাংসদ তথা তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য তিনি মঞ্চে উঠতে পারেননি বলেই দাবি।
বুধবার আরামবাগে সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন আরামবাগের বিদায়ী সংসদ অপরূপা পোদ্দার। তবে তা সত্ত্বেও মমতার সভামঞ্চে তাঁকে উঠতে দেওয়া হয়নি বলেই খবর। বাধ্য হয়ে মাঝপথেই সভাস্থল থেকে ফিরে যান অপরূপা। সভামঞ্চ থেকে ফিরে যাওয়ার পথে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন। তাঁর দাবি, শ্রীরামপুরের তৃণমূল প্রার্থী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে মঞ্চে উঠতে দেননি। তাঁর অভিযোগ, “কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় দলিত, সংখ্যালঘুদের অপমান করেন। কিন্তু আমি এখনও দলের সাংসদ।”
[আরও পড়ুন: ‘ফুলকুমারি’ সেজেই মেট গালায়, ‘লাপাতা লেডিজ’-এর নিতাংশিকে দেখে আপ্লুত নেটপাড়া]
অপরূপা পোদ্দারকে পালটা জবাব দেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আজ মুখ্যমন্ত্রীর মঞ্চে কে থাকবে, কে থাকবেন না, সেটা ওখানকার সভাপতি রমেন্দ্র সিংহ রায় ঠিক করছেন। আমি মঞ্চে গিয়েছি অনেক দেরি করে। সেখানে আমি তালিকা দেখেই মঞ্চে উঠেছি। আমাকে এসব কথা বলে কোনও লাভ নেই। সংখ্যালঘু বলে যদি কেউ সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা করেন, তাহলে আমার কিছু করার নেই। ওদের আমার প্রতি ব্যক্তিগত রাগ রয়েছে। ওরা রাগ মেটাচ্ছে। তাতে কী আসে যায়?” ভোটের আবহে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধী শিবিরে ইতিমধ্যেই শুরু জোর গুঞ্জন।
[আরও পড়ুন: ‘পুবের লোকেরা যেন চিনা, দক্ষিণেররা আফ্রিকানদের মতো’, ফের বোমা ফাটালেন পিত্রোদা]
সর্বশেষ খবর
-
সরকারি নথিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে ভারতের অরণ্যভূমি, বাস্তব চিত্র কী?
-
হাসিনার সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের তোড়জোড় তুঙ্গে! বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর নামে কী কী রয়েছে?
-
পুজোর আগেই বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর, শ্রমিকদের জন্য ২০ শতাংশ বোনাস, খুশির হাওয়া চা বাগানে
-
কাজলের পরে জেলা পরিষদের চেয়ারে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ! নেপথ্যে বিজেপি? নজরে বীরভূমের রাজনীতি
-
জলের বোতলে অটোগ্রাফ, পরপারে আশা ভোঁসলের প্রথম জন্মদিনে মীরের স্মৃতিচারণা