Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Durga Puja 2024

রেললাইনের উপর দুর্গাপুজোয় ‘আপত্তি’, ৩৮ বছরের পুজো বন্ধের চেষ্টা ঘিরে উত্তেজনা টিটাগড়ে

টিটাগড়ে পুরসভার চেয়ারম্যান কমলেশ সাউ দুপক্ষের সঙ্গে কথা বলে পুজো করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০২৪, ১৩:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৪, ২০২৪, ১৩:০২

options
link
রেললাইনের উপর দুর্গাপুজোয় ‘আপত্তি’, ৩৮ বছরের পুজো বন্ধের চেষ্টা ঘিরে উত্তেজনা টিটাগড়ে zoom

অর্ণব দাস, বারাকপুর: ৩৮ বছরের পুজো বন্ধের চেষ্টা! অভিযোগ তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন পুজো কমিটির সদস্য ও স্থানীয়রা। বৃহস্পতিবার টিটাগড় পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের এম জি রোড এলাকার এই ঘটনা ঘিরে ছড়াল তীব্র উত্তেজনা। ক্ষিপ্ত জনতা এদিন টিটাগড় থানায় গিয়ে বিক্ষোভও দেখান। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তরুণ সংঘ মহাবীর দুর্গাপুজো কমিটি দীর্ঘ বছর ধরেই টিটাগড় ওয়াগন লিমিটেডের রেললাইনের উপরে পুজো করে আসছে। সেইমত এই বছরও পুজোর জন্য বৃহস্পতিবার খুঁটিপুজোর আয়োজন করে পুজো কমিটি। কিন্তু আপত্তি তুলে পুলিশের তরফে জানানো হয়, ওখানে পুজো(Durga Puja 2024) হবে না এবছর। তা নিয়েই বচসা বাঁধে পুজো উদ্যোক্তাদের।

অভিযোগ, পুলিশের তরফে তাদের জানানো হয় যে এবার পুজো করার ক্ষেত্রে কারখানার আপত্তি রয়েছে। তারা পুজো করতে পারবে না। তা শুনে ক্ষোভে ফেটে পড়েন পুজো কমিটির সদস্যরা। বাসিন্দাদের সঙ্গে নিয়ে তাঁরা টিটাগড় থানায় গিয়ে বিক্ষোভ দেখান। পুজো কমিটির সম্পাদক নীরজ গুপ্তার কথায়, “৩৮বছর ধরে আমরা পুজো করছি। বছরের প্রতিটি দিন আমরা টিটাগড় ওয়াগান লিমিটেডকে সহযোগিতা করি। তাদের থেকে আমরা শুধু পুজো করার জন্য দশ দিন চেয়েছি। এই কারখানার এক আধিকারিক আগে আমাদের পুজো উদ্বোধনও করেছেন। তার প্রমাণ আমাদের কাছে আছে। পুরসভা, দমকলের থেকেও আমরা পুজোর অনুমতি পেয়েছি। তবুও কেন এবছর ওই কারখানা আমাদের পুজো করতে দিতে চাইছে না, জানি না।”

Advertisement

পুজোর ঠিক আগে এ ধরনের জটিলতা নিয়ে টিটাগড়ে পুরসভার চেয়ারম্যান কমলেশ সাউ জানিয়েছেন, ”প্রতি বছরই ওখানে পুজো হয় জানি। কিন্তু ওখানে ওয়াগনের চালু রেললাইন আছে। গত বছরও একটা সমস্যা হয়েছিল। কারখানার সঙ্গে কথা বলে সমস্যা মিটিয়ে ছিলাম। এবছরও চেষ্টা করব দুপক্ষকে নিয়ে বসে সমস্যা মেটানোর। তবে পুজো বন্ধ হবে না।” শেষ মুহূর্তে সেদিকেই তাকিয়ে উদ্যোক্তারা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.