Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
Dilip Ghosh

‘ওষুধের দাম বাড়ছে কেন?’, বৃদ্ধ ভোটারের প্রশ্নে মেজাজ হারালেন দিলীপ

শেষে যদিও বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলে যান ওই বৃদ্ধ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৪, ১৬:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৪, ১৬:১৪

options
link
‘ওষুধের দাম বাড়ছে কেন?’, বৃদ্ধ ভোটারের প্রশ্নে মেজাজ হারালেন দিলীপ zoom
ভোটারের প্রশ্নে মেজাজ হারালেন দিলীপ ঘোষ। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

অর্ক দে, বর্ধমান: ইলেক্টোরাল বন্ডের জন্য বাড়ছে ওষুধের দাম! বৃদ্ধ ভোটারের প্রশ্নে মেজাজ হারালেন বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ। একাধিক ইস্যুতে বেশ কিছুক্ষণ কথা কাটাকাটি হয় তাঁর। শেষে যদিও বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে চলে যান ওই বৃদ্ধ।

টিকিট পাওয়ার পর থেকে বর্ধমান দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের মাটি আঁকড়ে পড়ে রয়েছেন দিলীপ ঘোষ। প্রায় প্রতিদিন সকালেই চায়ে পে চর্চায় শামিল হচ্ছেন তিনি। সোমবার সকালে কালীবাজারে প্রচারে গিয়েছিলেন। দুর্গামন্দিরে চা চক্রে যোগ দেন। সেখানেই স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথাবার্তাও বলছিলেন দিলীপ। বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন শাখারি পুকুর হাউসিং কমপ্লেক্সের বাসিন্দা পূর্ত দপ্তরের অবসরপ্রাপ্ত কর্মী বিশ্ব সরকার। তিনি বলেন, “আমার তিন হাজার টাকার মতো ওষুধ লাগে। পেপারে দেখাচ্ছে আপনারা ইলেক্টোরাল বন্ড নিচ্ছেন। তার জন্য ওষুধের দাম বাড়ছে। আমার ৩ হাজার টাকার জায়গায় সাড়ে ৩ হাজার টাকা লাগছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: বহির্বিশ্বে মিলল প্রাণের সন্ধান! জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের তথ্যে চাঞ্চল্য]

এই কথা শুনেই মেজাজ হারান দিলীপ। বলেন, “ওরা বলছে আপনি বিশ্বাস করেন। ওরাও নিয়েছে বন্ড, যারা বলছে।” বৃদ্ধ পালটা বলেন, “সিপিএমই তো মামলা করল। ওরা তো টাকা নেয়নি।” বৃদ্ধ ভোটারকে দিলীপের পরামর্শ, “মোদিজী জনওষুধী দোকান দিয়েছেন। সেখানে যান। সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ ছাড় পাবেন। সেখান থেকে ওষুধ কিনুন। আপনি খোঁজ রাখুন।” বৃদ্ধের প্রশ্ন, “কোথায় ডিসকাউন্ট? আমরা তো কিনতে যাই। আমাদের তো ১৫ শতাং ছাড়। প্রতিনিয়ত দাম বাড়ছে।” দিলীপ বলেন, “ফ্রিতে চাল পাচ্ছেন, ডাল পাচ্ছেন। বিনামূল্যে ৮০ কোটি লোক চাল পাচ্ছে। অনেক দিয়েছেন আপনারা। আমি জানি আপনি কি বলতে চাইছেন। দেখলে বোঝা যায়। বাংলাকে শ্মশান করেছেন আপনারা।” ওই বৃদ্ধ জানান, তাঁর মেয়ে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারও প্রত্যাখ্যান করেছেন। কথা কাটাকাটি শেষে অবশ্য ওই বৃদ্ধর মোবাইল নম্বর ও নাম নথিভুক্ত করে নেন জেলা বিজেপি সভাপতি। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাড়ির পথে রওনা দেন বৃদ্ধ।

[আরও পড়ুন: ‘আমার মতো এত কাজ কেউ করেনি’, মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের পরই মুখ খুললেন সুজাপুরের বিধায়ক]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.