সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুরুটা ভালোই ছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্য-রাজ্যপালের সম্পর্ক তিক্ত হয়েছে। জল গড়িয়েছে বহুদূর। এই পরিস্থিতিতে ভোটপ্রচারে গিয়ে গোপালকৃষ্ণ গান্ধীর সঙ্গে সি ভি আনন্দ বোসের তুলনা টানলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানালেন, একটা সময়ে গোপালকৃষ্ণ গান্ধী তাঁকে বাঁচিয়েছেন।
সোমবার ঘাটালের পাঁশকুড়ায় দেবের সমর্থনে জনসভা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানেই উঠে আসে নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গ। ১৪ মার্চের ঘটনার স্মৃতিচারণা করেন মমতা। সিপিএমের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ তুলে বলেন, “নন্দীগ্রামে ঢোকার সব রাস্তা আটকে দিয়েছিল। রাত ২ টো পর্যন্ত কোলাঘাটে দাঁড়িয়ে ছিলাম। সিপিএমের হার্মাদরা মদ্যপ অবস্থায় বোমা নিয়ে আমার গাড়ি ঘিরে ফেলেছিল।” এর পরই তিনি জানান, একজন তাঁকে বাঁচিয়েছিলেন। তিনি তৎকালীন রাজ্যপাল, গোপালকৃষ্ণ গান্ধী। মমতার কথায়, “ওই মানুষটির কাছে আমি আজীবন কৃতজ্ঞ থাকব।”
[আরও পড়ুন: ‘১৩ বছর আগে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে প্রথম শপথ’, পুরনো কথা স্মরণ মমতার]
এখানেই শেষ নয়। এর পরই বাংলার বর্তমান রাজ্যরাল সি ভি আনন্দ বোসকে নিশানা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বলেন, “আজকের রাজ্যপালের কথা বলব না। রাজ্য আছে, পালের গোদা হারিয়ে গিয়েছে।” এর পর আবারও সিপিএমের অত্যাচারের কথা তুলে ধরেন তিনি। বলেন, “সিপিএমের হার্মাদরা গড়বেতার এক মায়ের কোল খালি করে দিয়েছিল। তার পরও সিপিএম ওই মাকে হার মানাতে পারেনি। সন্তানহারা মা বলেছিলেন, খুনের বদলা নিতে দুটো অস্ত্র চাই। এক হাতে বন্দুক, অন্য হাতে তৃণমূলের পতাকা।” মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, সিপিএমের সঙ্গে তাঁদের কী লড়াইটা লড়তে হয়েছিল, তা জানা নেই অনেকেরই।
[আরও পড়ুন: লকেটের ‘চোরে’র পালটা অসীমার ‘ডাকাত’, ধনেখালিতে ধুন্ধুমার]
সর্বশেষ খবর
-
ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিস খালি করার নোটিস দমকলের, আদালতের স্থগিতাদেশেও কাটছে না জট
-
নাচে-গানে হুল্লোড়! হাতি তাড়াতে মধ্যরাতে বসছে আসর, এক অন্য ছবি লালগড়ে
-
অত্যাধুনিক একে-২০৩ রাইফেলের গুলি সরবরাহ করবে আদানির সংস্থা, বিরাট চুক্তি সম্পন্ন
-
উথাল-পাথাল গঙ্গা, ভাসল ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম, জলবন্দি প্রায় ২ লক্ষ মানুষ
-
দিমাগি নকশালের পর এবার ‘নারাজ ফুফা’, জিডিপি বিতর্ক উড়িয়ে বিরোধীদের তোপ মোদির