জ্যোতি চক্রবর্তী: অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলার সভাপতি পদ থেকে সরান হল বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়াকে। বনগাঁ উত্তর কেন্দ্রের বিধায়কের পাশাপাশি এই দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন তিনি। বছর চারেক তিনি এই পদে ছিলেন। তাঁর জায়গায় আনা হল হিমাংশু বিশ্বাস নামে এক মতুয়া ভক্তকে।
এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই জেলায় শুরু রাজনৈতিক তরজা। আবারও বিজেপির গোষ্ঠী কোন্দল সামনে এসে গিয়েছে বলে কটাক্ষ করেছে তৃণমূল। তাদের দাবি, অশোক কীর্তনিয়ার সঙ্গে শান্তনু ঠাকুরের সম্পর্কের অবনতি হওয়ায় তাঁকে সরতে হয়েছে। তবে বিজেপি সাংসদের বক্তব্য, কোনও কোন্দল নয় বেশ কয়েকবছর ধরে অশোক এই দায়িত্ব সামলিয়েছেন। এবার নতুন মুখ আনতে এই বদল আনা হয়েছে।
[আরও পড়ুন: স্যালাইন দেওয়ার সময় নার্সের শ্লীলতাহানি রোগীর! বীরভূমের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে উত্তেজনা]
তবে এলাকায় বিজেপির অন্দরে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, দীর্ঘদিন ধরেই শান্তনুর সঙ্গে অশোকের দূরত্ব বাড়ছিল। সেই পালে আরও হাওয়া লাগে বাগদা বিধানসভা উপনির্বাচনে বহিরাগতকে প্রার্থী করায়। সেই সময় প্রচারেও দেখা যায়নি অশোককে।
বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বকে কটাক্ষ করে তৃণমূলের বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ দাস বলেন, “পরের বিধানসভা ভোটে যাতে অশোক কীর্তনিয়া টিকিট না পায় সেই কারণেই তাঁকে সভাপতি পদ থেকে সরানো হল।” যদিও বিজেপির বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি দেবদাস মণ্ডল বলেন, “অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘ একটি ধর্মীয় সংগঠন। তার সভাপতি কিংবা পদাধিকারী কে হবেন সেটা ওই সংগঠনের নিজস্ব বিষয়। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।”
[আরও পড়ুন: কলাবাগানে নাবালিকাকে ধর্ষণ! মুখ খুললে খুনের হুমকি, চাঞ্চল্য নদিয়ায়]
সর্বশেষ খবর
-
কোহলিই এগিয়ে, পরিসংখ্যানে শচীনের মহত্ব মেনেও নিজের অবস্থানে অনড় ডিভিলিয়ার্স
-
মানস সরোবরের পথে নিখোঁজ দুর্গাপুরের দম্পতি, সব মিলিয়ে নেপালে নিখোঁজ বাংলার ৩৬
-
প্রকৃতির রুদ্র তাণ্ডবে তছনছ বুদ্ধের দেশ! নেপালে ভয়ংকর হড়পা বানের নেপথ্যে কোন কারণ?
-
প্রথমবার পরীক্ষায় সাফল্য আসেনি! ব্যর্থতার আশঙ্কায় ‘চরম সিদ্ধান্ত’ নিট পরীক্ষার্থীর
-
নাবালিকাকে হোটেলে আটকে মধুচক্রে নামানোর ছক! পুলিশের রুদ্ধশ্বাস অভিযানে কীর্তি ফাঁস ৪ কর্মীর