Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Malda

মুর্শিদাবাদের পর মালদহ, আবাসের ‘কাটমানি’র টাকা ফেরত চাইতেই মার! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেত্রী

অভিযোগ অস্বীকার পঞ্চায়েত সদস্যার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০২৪, ১৪:২৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ৪, ২০২৪, ১৪:২৮

options
link
মুর্শিদাবাদের পর মালদহ, আবাসের ‘কাটমানি’র টাকা ফেরত চাইতেই মার! কাঠগড়ায় তৃণমূল নেত্রী zoom
প্রতীকী ছবি।

বাবুল হক, মালদহ: ফের আবাসের তালিকায় নাম তুলে দেওয়ার আশ্বাসে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, টাকা ফেরত চাইতে গেলে পঞ্চায়েত সদস্যা এবং তাঁর স্বামী, ছেলের হাতে আক্রান্ত স্থানীয় বাসিন্দা। মাটিতে ফেলে বেধড়ক মারধর ও খুনের চেষ্টার অভিযোগ এনেছে আক্রান্তের পরিবার। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের হরিশচন্দ্রপুরে। অভিযোগ অস্বীকার পঞ্চায়েত সদস্যার।

হরিশচন্দ্রপুর থানার অন্তর্গত বড়ই এলাকার বাসিন্দা অনিতাকুমারী সাহা। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা শকুন্তলা সাহা আবাস প্লাস যোজনায় ঘরের টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে তাঁর স্বামী দুর্গাপ্রসাদ সাহার থেকে একমাস আগে ৩০ হাজার টাকা ‘কাটমানি’ নেন। চলতি মাসে ঘরের তালিকা প্রকাশ হতে দেখেন নাম তালিকায় নেই। এর পর দুর্গাপ্রসাদ শকুন্তলার কাছে টাকা ফেরত চাইতে যান। অভিযোগ, টাকার কথা বলতেই পঞ্চায়েত সদস্যা, তাঁর স্বামী এবং ছেলে মিলে দুর্গাপ্রসাদবাবুর উপর চড়াও হন। চলে বেধড়ক মারধর। এমনকী শ্বাসরোধ করে প্রাণে মারার চেষ্টা হয় বলেও অভিযোগ। আহত দুর্গাপ্রসাদ হরিশচন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর স্ত্রী অনিতা হরিশচন্দ্রপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Advertisement

যদিও পঞ্চায়েত সদস্যার দাবি, ঘটনার সময় তিনি একটি বৈঠকে ছিলেন। টাকা নেওয়ার বিষয়টিও অস্বীকার করেছেন তিনি। স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, তৃণমূলের নেতা-কর্মীরা প্রত্যেকের কাছে এইভাবে টাকা নিয়েছে। প্রশাসন টাকা উদ্ধারের ব্যবস্থা করুক। গোটা ঘটনা সামনে আসতেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।

উল্লেখ্য, দিনকয়েক আগে মুর্শিদাবাদের জঙ্গিপুরে কাটমানির টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে মারধর খান এক বাসিন্দা। একদিন পরে কলকাতার এনআরএস হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয় স্থানীয় তৃণমূল নেতা আব্দুল লতিথ ওরফে মিঠুনকে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.