সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: দাম্পত্য কলহের জের! কোলের সন্তানকে আছড়ে খুনের পর আত্মঘাতী বাবা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রবল চাঞ্চল্য দুর্গাপুরে।
জানা গিয়েছে, আত্মঘাতী যুবকের নাম আবির রুইদাস। মৃত তাঁর ৯ মাসের শিশু সুজন রুইদাস। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল থেকেই আবির ও স্ত্রী সরমার মধ্যে চলছিল বিবাদ। বাড়ির বিছানায় তখন খেলা করছিল ফুটফুটে শিশুটি। আচমকা রাগের মাথায় সুজনকে বিছানা থেকে তুলে আছাড় মেরে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে যায় গুণধর আবির। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুকে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতলে নিয়ে যাওয়া হলে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করতে বলেন চিকিৎসকরা। নিয়ে যাওয়ার সময় রাস্তাতেই মৃত্যু হয় সুজনের। তখনই পরিবার-পরিজনেরা ওই শিশুকে বাড়ি নিয়ে চলে আসেন। গোটা এলাকা জুড়ে পড়ে যায় শোরগোল। এর পরই কোকওভেন থানার পুলিশ পৌঁছে ওই শিশুর দেহ উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। ততক্ষণে খবর আসে মৃত সুজনের বাবা আবির দুর্গাপুর স্টেশন সংলগ্ন রেললাইনে আত্মঘাতী হয়েছেন। রেল পুলিশ তাঁর দেহ উদ্ধার করে।
[আরও পড়ুন: বিধানসভা উপনির্বাচনে দুরন্ত ফল ‘ইন্ডিয়া’র, জোর ধাক্কা বিজেপি জোটের]
স্থানীয় বাসিন্দা কানাই বাউরি বলেন, “দিনমজুরের কাজ করেই সংসার চালাত আবির আর আবিরের স্ত্রী সরমা। টাকা পয়সা নিয়ে প্রায় দিনই বিবাদ লেগেই থাকতো দুজনের মধ্যে। শনিবার সকালে সেই বিবাদ চরম পর্যায় পৌঁছয়। তখনই আবির তার কোলের সন্তানকে বিছানা থেকে তুলে আছাড় মারেন। এলাকাবাসীরা আবিরকে চড় থাপ্পর মারতেই এলাকা ছেড়ে পালায়। তার পরই শোনা যায়, আত্মঘাতী হয়েছে আবির।” ঘটনার খবর পেয়ে এই ঘটনাস্থলে পৌঁছন দুর্গাপুর নগর নিগমের প্রাক্তন কাউন্সিলর অঙ্কিতা চৌধুরী ও প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য দীপঙ্কর লাহা। তাঁরাও হতবাক হয়ে যান এই ঘটনা শুনে। এই ঘটনার পর থেকেই শোকস্তব্ধ গোটা এলাকা।
[আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা, বিপর্যয় থেকে রেহাই কবে?]
সর্বশেষ খবর
-
আঞ্চলিক মিষ্টির জিআই ট্যাগ নিয়ে তৎপর বঙ্গ বিজেপি! ‘মিষ্টি হাব’ তৈরিরও পরিকল্পনা শমীকদের
-
এবার সপ্তাহে ৬ দিনই শান্তিনিকেতনে ‘হেরিটেজ ওয়াক’, দ্রুত টিকিট মিলবে অনলাইনেও
-
লরি চাপা পড়ে মাইকেল ক্লার্কের গাড়ি! আইপিএল শেষে বিমানবন্দর যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা
-
নিজের নিরাপত্তা দিতে চেয়েছিলেন মমতা! এবার এনআইয়ের হাতে গ্রেপ্তার ‘মাছ চোর’ শওকত
-
সমাজকে আদর্শের আয়না দেখায় ‘গোর্কির মা’, কেমন হল? পড়ুন রিভিউ