Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬
Bangladesh

বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে অনুপ্রবেশ! কোচবিহার থেকে ধৃত ৯ আওয়ামি লিগ কর্মী

নিউ কোচবিহার স্টেশনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে আরপিএফ যুবকদের আটক করে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪, ১১:২২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৪, ১১:২২

options
link
বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে অনুপ্রবেশ! কোচবিহার থেকে ধৃত ৯ আওয়ামি লিগ কর্মী zoom
ফাইল ছবি

বিক্রম রায়, কোচবিহার: রাজনৈতিক পালাবদলের পর টালমাটাল বাংলাদেশ। আর নিজের দেশের অস্থিরতায় চরম ঝুঁকি নিয়েও অনুপ্রবেশ বাড়ছে বাংলাদেশীদের। ভারতে প্রবেশ করার পর কেরল যাওয়ার পথে ৯ জন যুবককে আটক করেছে আরপিএফ। পরে জিআরপি তাঁদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা প্রত্যেকেই বাংলাদেশের প্রাক্তন শাসক দল আওয়ামি লিগের কর্মী বলে জানা গিয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে, ওই যুবকদের নিউ কোচবিহার স্টেশনে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে আরপিএফ তাঁদের আটক করে। ধৃতদের কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের নথিপত্র পাওয়া গিয়েছে বলে জানিয়েছেন তদন্তকারীরা। আরপিএফের কাছে আটক হওয়া বাংলাদেশিরা মেঘালয়ের পাহাড়ি ও জঙ্গল এলাকা দিয়ে আসার পর মানিকাচর দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন বলেই প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তদন্তকারীদের জানিয়েছে। আরপিএফ সূত্রে জানা গিয়েছে ধৃতরা প্রত্যেকেই, বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর থানা এলাকার বাসিন্দা। তারা আওয়ামি লিগের সদস্য ছিলেন। ধৃতদের নাম আবদুল করিম, শাহিন আলম, সাজিব মণ্ডল, জুয়েল মণ্ডল, মহম্মদ আলি, কামরুল ইসলাম, আব্বাস শেখ, সুমন হোসেন এবং রুকন মণ্ডল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

ধৃত বাংলাদেশিদের পক্ষ থেকে কামরুল ইসলাম জানিয়েছে, বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর এক দালালের মাধ্যমে প্রায় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়ে তাঁরা ভারতে প্রবেশ করেছেন। ভারতের কেরলের এগিয়ে সেখানে রাজমিস্ত্রি কাজ করার ইচ্ছে ছিল তাঁদের। তার জন্য বাংলাদেশের ভিতরে দেড়শো টাকার বিনিময়ে ভারতীয় আধার কার্ড তৈরি করেছিলেন সকলে।

কামরুলের দাবি, রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর বাংলাদেশে আওয়ামি লিগের কর্মী-সমর্থকদের উপর অত্যাচার হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে একপ্রকার বাধ্য হয়েই তারা দীর্ঘ হাঁটা পথ এবং নদী পার হয়ে ভারতে অনুপ্রবেশ করেছিলেন। দালালের মাধ্যমে কীভাবে অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে ভারতে প্রবেশ করে ভিন রাজ্যে চলে যাচ্ছেন অনেক বাংলাদেশী, তা রীতিমতো অবাক করেছে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে। যেভাবে অতি সহজেই বাংলাদেশের ভিতরে আধার কার্ডের মতো ভারতীয় পরিচয় পত্র তৈরির যে চক্র রয়েছে, সেটাও মাথা ব্যথার কারণ তাদের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.