Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
Hiran Chatterjee

‘কেশপুর পাকিস্তান’! ঘেরাও হয়ে ‘লুঙ্গিবাহিনী’কে শিক্ষা দিতে বেলাগাম আক্রমণ হিরণের

একইসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঘাটালে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী দেবকে খোঁচা দিয়ে আরও বিতর্কিত মন্তব্য করেন হিরণ। বলেন, 'লুঙ্গিবাহিনী তো হাঁটুর উপরে খাটো লুঙ্গি পরে, ওদের লুঙ্গি খুলিয়ে সোজা করে পরাব।'

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৪, ১৫:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৫, ২০২৪, ১৫:৩৮

options
link
‘কেশপুর পাকিস্তান’! ঘেরাও হয়ে ‘লুঙ্গিবাহিনী’কে শিক্ষা দিতে বেলাগাম আক্রমণ হিরণের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটের দিন দফায় দফায় ঘেরাও হয়ে বেলাগাম আক্রমণ ঘাটালের বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের। কেশপুরকে তিনি তুলনা করলেন পাকিস্তানের সঙ্গে! একযোগে মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল সুপ্রিমো এবং প্রতিদ্বন্দ্বী তৃণমূল প্রার্থীর উদ্দেশে তোপ দেগে বললেন, ”কেশপুরকে মমতা (Mamata Banerjee) পাকিস্তান করেছেন। আর সৌজন্যের প্রতীক দীপক অধিকারী লুঙ্গিবাহিনীর হাতে বাঁশ, লাঠি দিয়ে নামিয়েছেন আমাকে ঘেরাও করার জন্য। এই তো সৌজন্যের নজির! মুখে মিষ্টি কথা আর কাজে লুঙ্গিবাহিনীকে ব্যবহার।” এর পর আরও বিতর্কিত মন্তব্য করেন হিরণ (Hiran Chatterjee)। বলেন, ”লুঙ্গিবাহিনী তো গুটিয়ে লুঙ্গি পরে, ওদের লুঙ্গি খুলিয়ে সোজা করে পরাব।”

ষষ্ঠ দফা লোকসভা ভোটের (2024 Lok Sabha Election) দিন সকাল থেকেই উত্তপ্ত ঘাটাল-সহ একাধিক কেন্দ্রের অন্তর্গত বিভিন্ন এলাকা। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কেশপুর। শনিবার সকালে কেশপুরে যেতেই বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে দফায় দফায় বাধার মুখে পড়তে হয়। অভিযোগ, তাঁর গাড়ির সামনে শুয়ে বিক্ষোভ দেখান গ্রামবাসীরা। রাস্তায় আগুন জ্বেলেও বিক্ষোভ দেখানো হয়। তাঁদের অবশ্য তৃণমূল কর্মী-সমর্থক বলে দাবি করেছে বিজেপি। তারকা প্রার্থীকে শুনতে হয় ‘চোর’ স্লোগানও। রাজ্য পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকার সমালোচনায় সরব হন হিরণ চট্টোপাধ্যায়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ভূমিকম্পের অ্যালার্ট দেবে ‘ভূদেব’ অ্যাপ, সাফল্য আইআইটি গবেষকদের]

এর পর নিজের কার্যালয়ে ফিরে আসেন হিরণ। সেখানে ‘সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল‘ তাঁকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে সাফ জানান, ”কেশপুরকে পাকিস্তান করে দিয়েছেন মমতা পিসি। আর সেখানকার সৌজন্যের প্রতীক দীপক অধিকারী যে কতটা সৌজন্য দেখান, তা আজ বাংলার মানুষ দেখল। মুখে রসগোল্লার মতো মিষ্টি কথা বলে লুঙ্গিবাহিনীর হাতে বাঁশ দিয়ে আমাকে ঘেরাও করতে পাঠিয়েছেন। ৪ জুনের পর জিতে এসব কিছুর উত্তর আমি দেব।” এনিয়ে তৃণমূলের তরফে জয়প্রকাশ মজুমদারের পালটা প্রতিক্রিয়া, ”উনি এসব বলে কেশপুরের সমস্ত ভোটারকে অপমান করলেন।” তৃণমূল মুখপাত্র সুদীপ রাহার বক্তব্য, ”হারবে জেনে কমিশন, পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনীকে দোষ দিচ্ছে। হিরণরা পাকিস্তান ছাড়া আর কিছু বোঝেন না। বারবার দোষ দিতে জানেন। পরাজয় নিশ্চিত।”

[আরও পড়ুন: সোনিয়ার গ্রেপ্তারি চেয়েছিলেন কেজরি, AAP-কে ভোট রাহুলের, প্রিয়াঙ্কা বললেন, ‘আমরা গর্বিত’]

উল্লেখ্য, এই কেশপুরের বিশ্বনাথপুর গ্রামে গিয়ে নিখোঁজ ব্যক্তির পরিবারের সঙ্গে দেখা করে সমবেদনা জানাতে গিয়েই ‘ট্রোল’ হয়েছিলেন হিরণ। সেই ভিডিও ভাইরাল (Viral) নেটদুনিয়ায়। আর ভোটের দিনও সেই কেশপুরেই প্রবল প্রতিরোধের মুখে পড়লেন তিনি।

দেখুন ভিডিও: 

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.